এক ঝলকে দেখুন তারার স্বপ্নের ঠিকানা
মুম্বাইয়ে নিজের স্বপ্নের ঠিকানা গড়ে তুলেছেন বলিউড অভিনেত্রী তারা সুতারিয়া। দীর্ঘ পরিশ্রম আর আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে এসে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। নিজের প্রথম বাড়িকে যত্নে সাজিয়ে তোলার অভিজ্ঞতা তিনি ভাগ করে নিয়েছেন ভক্তদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন ‘নতুন শুরু’র সেই গল্প। নিজের উপার্জনে তৈরি এই বাড়ির প্রতি আবেগ যে কতটা গভীর, তা বোঝা যায় প্রতিটি কোণায়। ঘরের অন্দরসজ্জা যেন তার ব্যক্তিত্ব, স্মৃতি আর রুচির এক নিখুঁত প্রতিফলন। প্রবেশপথেই নজর কাড়ে গ্র্যান্ড পিয়ানো বাড়িতে ঢুকতেই চোখে পড়ে চকচকে কালো একটি গ্র্যান্ড পিয়ানো। পিয়ানোর নিচের মেঝেটিও দৃষ্টি আকর্ষণ করে, কাঠের মতো টেক্সচারে হেরিংবোন বা জিগজ্যাগ নকশা, যা পুরো জায়গাটিকে এক ধরনের জ্যামিতিক সৌন্দর্য দিয়েছে। কার্পেট দিয়ে ভাগ করা স্পেস বড় হলঘরের এক পাশে পিয়ানো, অন্য পাশে বসার জায়গা। এই দুটি অংশকে আলাদা করে তুলতে কার্পেটের ব্যবহার করেছেন তারা। পিয়ানোর নিচে ছোট কার্পেট থাকায় মেঝের নকশা দৃশ্যমান আর বসার জায়গায় বড় ও হালকা রঙের কার্পেট দিয়ে তৈরি হয়েছে আরামদায়ক পরিবেশ। একটু পুরনো ভাবের কার্পেট এখন অন্দরসজ্জ
মুম্বাইয়ে নিজের স্বপ্নের ঠিকানা গড়ে তুলেছেন বলিউড অভিনেত্রী তারা সুতারিয়া। দীর্ঘ পরিশ্রম আর আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে এসে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। নিজের প্রথম বাড়িকে যত্নে সাজিয়ে তোলার অভিজ্ঞতা তিনি ভাগ করে নিয়েছেন ভক্তদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন ‘নতুন শুরু’র সেই গল্প।
নিজের উপার্জনে তৈরি এই বাড়ির প্রতি আবেগ যে কতটা গভীর, তা বোঝা যায় প্রতিটি কোণায়। ঘরের অন্দরসজ্জা যেন তার ব্যক্তিত্ব, স্মৃতি আর রুচির এক নিখুঁত প্রতিফলন।
প্রবেশপথেই নজর কাড়ে গ্র্যান্ড পিয়ানো
বাড়িতে ঢুকতেই চোখে পড়ে চকচকে কালো একটি গ্র্যান্ড পিয়ানো। পিয়ানোর নিচের মেঝেটিও দৃষ্টি আকর্ষণ করে, কাঠের মতো টেক্সচারে হেরিংবোন বা জিগজ্যাগ নকশা, যা পুরো জায়গাটিকে এক ধরনের জ্যামিতিক সৌন্দর্য দিয়েছে।
কার্পেট দিয়ে ভাগ করা স্পেস
বড় হলঘরের এক পাশে পিয়ানো, অন্য পাশে বসার জায়গা। এই দুটি অংশকে আলাদা করে তুলতে কার্পেটের ব্যবহার করেছেন তারা। পিয়ানোর নিচে ছোট কার্পেট থাকায় মেঝের নকশা দৃশ্যমান আর বসার জায়গায় বড় ও হালকা রঙের কার্পেট দিয়ে তৈরি হয়েছে আরামদায়ক পরিবেশ। একটু পুরনো ভাবের কার্পেট এখন অন্দরসজ্জায় নতুন ট্রেন্ড, যা ঘরে এনে দেয় বাড়তি উষ্ণতা।
কাঠের আসবাবে ক্লাসিক ছোঁয়া
ঘরে আসবাবের ভিড় নেই, তবে প্রতিটি জিনিসই বেছে নেওয়া হয়েছে সচেতনভাবে। কাঠের তৈরি সেন্টার টেবিল, সাইড টেবিল সবকিছুতেই রয়েছে ক্লাসিক ডিজাইনের ছাপ। সোফাতেও কাঠের কাঠামোর উপর একরঙা কাপড়ের গদি, যা পুরো ঘরকে দিয়েছে সরল অথচ মার্জিত লুক।
আলো আর রঙে নরম আবহ
ঘরের কোথাও চোখ ধাঁধানো উজ্জ্বল আলো নেই। আলো এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে তা সরাসরি চোখে না পড়ে বরং নরম প্রতিফলন তৈরি করে। ক্রিম রঙের সাদামাটা দেয়াল এই নরম আবহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
দেয়ালের সাজসজ্জায়ও রয়েছে ব্যক্তিগত স্পর্শ। খোলা শেলফে সাজানো পুরস্কার, জীবনের নানা মুহূর্তের ছবি, বিদেশ ভ্রমণ থেকে আনা স্যুভেনির সব মিলিয়ে দেয়ালগুলো যেন স্মৃতির গ্যালারি।
শিল্পকর্মে আলাদা মাত্রা
ঘরের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে দৃষ্টিনন্দন শিল্পকর্ম। সাদা দেয়ালে কমলা, লাল, হলুদ রঙের বিমূর্ত পেইন্টিং, পোরসেলিনের ফুলদানিতে নকশা, রুপোর বাতিদান, সোনালি ফ্রেমে কাঠের কারুকাজ করা ছবি—প্রতিটি উপাদান ঘরের আলাদা চরিত্র গড়ে তুলেছে। ঝাড়বাতিও সেই সৌন্দর্যে যোগ করেছে বাড়তি আকর্ষণ।
খাবার ঘরে সাদা-কালোর রাজত্ব
অতিথি আপ্যায়নে আগ্রহী তারা, আর সেই জন্যই ডাইনিং স্পেসটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। পুরো জায়গাটি সাজানো হয়েছে সাদা ও কালো রঙের মেলবন্ধনে। সাদা দেয়াল, স্বচ্ছ পর্দা, টেবিলক্লথের সঙ্গে কালো চেয়ার তৈরি করেছে দারুণ কনট্রাস্ট। দেয়ালে আয়না বা আয়নার ফ্রেমে মুরালেও একই রঙের আধিপত্য। টেবিলে রুপোর বাসন, ফুলদানিতে সাজানো রজনীগন্ধা ও সাদা গোলাপ সব মিলিয়ে ডাইনিং স্পেসটি হয়ে উঠেছে পরিমিত অথচ রুচিশীল।
সব মিলিয়ে, তারা সুতারিয়ার এই নতুন বাড়ি শুধু একটি ঠিকানা নয়, বরং তার পরিশ্রম, স্বপ্ন আর ব্যক্তিগত রুচির এক সুন্দর প্রকাশ।
জেএস/
What's Your Reaction?