এক ডোমেইন কিনতেই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের খরচ ১৫ কোটি টাকা
শুনতে অবাক লাগলেও শুধু একটি ডোমেইন কিনতেই ১৫ কোটি টাকা খরচ করেছেন এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবেই ঘটেছে এমন ঘটনা। এজন্য তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় ১০ বছর। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিওতে নিজের যাত্রা তুলে ধরেছেন ‘নাস ডেইলি’ নামে পরিচিত এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তিনি বলেন, ‘আমি ১৫ কোটি টাকা খরচ করে একটি জিনিস কিনেছি। এটা কোনো অ্যাপার্টমেন্ট কিংবা বিলাসবহুল গাড়ি না। এটি কেবল একটি ডোমেইন নাম।’ জনপ্রিয় এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, ‘আমি গত ১০ বছর ধরে ডোমেইনটি পাওয়ার চেষ্টা করছি। অবশেষে আমি তা কেনার সামর্থ্য অর্জন করেছি। আমি এই খবরটি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই, কারণ আপনারা গত ১০ বছর ধরে আমার সঙ্গে ছিলেন।’ নিজের যাত্রা শুরুর গল্প তুলে ধরে তিনি জানান, যখন আমি নুসায়ের ইয়াসিন হিসেবে নাস কোম্পানি শুরু করি, তখন আমার কাছে কোনো টাকা ছিল না। এমনকি কোনো গার্লফ্রেন্ড বা চাকরিও ছিল না। শুধু আমি একাই এ যাত্রা শুরু করেছিলাম। এ সময় আমার একটা ক্যামেরা ও বিপুল ইচ্ছাশক্তি ছাড়া আর কিছুই ছিল না। এভাবেই দর্শকদের
শুনতে অবাক লাগলেও শুধু একটি ডোমেইন কিনতেই ১৫ কোটি টাকা খরচ করেছেন এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবেই ঘটেছে এমন ঘটনা। এজন্য তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় ১০ বছর। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিওতে নিজের যাত্রা তুলে ধরেছেন ‘নাস ডেইলি’ নামে পরিচিত এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তিনি বলেন, ‘আমি ১৫ কোটি টাকা খরচ করে একটি জিনিস কিনেছি। এটা কোনো অ্যাপার্টমেন্ট কিংবা বিলাসবহুল গাড়ি না। এটি কেবল একটি ডোমেইন নাম।’
জনপ্রিয় এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, ‘আমি গত ১০ বছর ধরে ডোমেইনটি পাওয়ার চেষ্টা করছি। অবশেষে আমি তা কেনার সামর্থ্য অর্জন করেছি। আমি এই খবরটি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই, কারণ আপনারা গত ১০ বছর ধরে আমার সঙ্গে ছিলেন।’
নিজের যাত্রা শুরুর গল্প তুলে ধরে তিনি জানান, যখন আমি নুসায়ের ইয়াসিন হিসেবে নাস কোম্পানি শুরু করি, তখন আমার কাছে কোনো টাকা ছিল না। এমনকি কোনো গার্লফ্রেন্ড বা চাকরিও ছিল না। শুধু আমি একাই এ যাত্রা শুরু করেছিলাম। এ সময় আমার একটা ক্যামেরা ও বিপুল ইচ্ছাশক্তি ছাড়া আর কিছুই ছিল না। এভাবেই দর্শকদের আমি সারা পৃথিবী ঘুরে দেখিয়েছি।
১০০টিরও বেশি দেশের মানুষের গল্প নিয়ে ভিডিও বানিয়েছেন উল্লেখ করে এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর জানান, আরবিতে ‘নাস’ অর্থ মানুষ। আর এখন অবশেষে আমার কাছে এত টাকা হয়েছে যে, আমি আমার স্বপ্নের জিনিসটি কিনতে পেরেছি। আর সেটা হলো নাস.কম। তিন অক্ষরের এই ডোমেইন নামটি আমি কিনেছি এক দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা। যদি কারও এটি পাওয়ার কথা হয়, তাহলে সেটা আমারই হওয়া উচিত।
তিনি আরও জানান, এখন থেকে nas.io-এর নাম পরিবর্তন হয়ে হচ্ছে nas.com। এই প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য হলো দর্শকদের নিজের জন্য কাজ করতে সাহায্য করা এবং এআই ব্যবহার করে নিজের অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে সহায়তা করা।
আমি এই ডোমেইন কিনেছি বড় বড় প্ল্যাটফর্ম যেমন শপিফাই, উইক্সির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য। নাস.কম হবে আরও সহজ, এআই নির্ভর এবং জীবনঘনিষ্ঠ। ডোমেইনটির জন্য ৫ বছর ধরে দরকষাকষি এবং সঞ্চয় করেছি।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাস বলেন, ‘আমার বাবা-মা এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন। আপনারা আমাকে বোকাও বলতে পারেন। কিন্তু আমার জায়গা থেকে সম্পূর্ণ স্বার্থক। ১০ বছর কঠোর পরিশ্রম করেছি। আগামী ১০ বছর নাস.কম নিয়েই কাজ করব। এখন সত্যিই বড় খেলায় নেমেছি।
What's Your Reaction?