এক বছরে বিশ্বজুড়ে নিহত হয়েছেন প্রায় ৮ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী

উন্নত জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশে পাড়ি দিতে গিয়ে ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের। প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে সংস্থাটির সদরদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইওএমের হিউম্যানিটেরিয়ান রেসপন্স অ্যান্ড রিকোভারি বিভাগের পরিচালক মারিয়া মোইতা বলেন, আগের বছরগুলোর তুলনায় ২০২৫ সালে এশিয়া অঞ্চলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রাণহানির হার বেশি ছিল। বিশেষ করে শত শত রোহিঙ্গা ও আফগান অভিবাসনপ্রত্যাশী এ সময় নিহত হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে অভিবাসনের চাপ কমেছে এমন ধারণা তৈরি হলেও বাস্তবে তা নয়। বরং সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, শ্রমবাজারের চাহিদা এবং বিভিন্ন দেশের নীতিগত পরিবর্তনের কারণে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে রুট পরিবর্তনের প্রবণতা বাড়ছে। মারিয়া মোইতা আরও বলেন, গত কয়েক বছরে ব্যবহৃত প্রচলিত রুটগুলোতে যাতায়াত কমে এসেছে। অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী এখন বিকল্প পথ বেছে নিচ্ছেন, যা তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ এবং বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। তবে আইওএমের তথ্য অনুযায়ী,

এক বছরে বিশ্বজুড়ে নিহত হয়েছেন প্রায় ৮ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী
উন্নত জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশে পাড়ি দিতে গিয়ে ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের। প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে সংস্থাটির সদরদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইওএমের হিউম্যানিটেরিয়ান রেসপন্স অ্যান্ড রিকোভারি বিভাগের পরিচালক মারিয়া মোইতা বলেন, আগের বছরগুলোর তুলনায় ২০২৫ সালে এশিয়া অঞ্চলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রাণহানির হার বেশি ছিল। বিশেষ করে শত শত রোহিঙ্গা ও আফগান অভিবাসনপ্রত্যাশী এ সময় নিহত হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে অভিবাসনের চাপ কমেছে এমন ধারণা তৈরি হলেও বাস্তবে তা নয়। বরং সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, শ্রমবাজারের চাহিদা এবং বিভিন্ন দেশের নীতিগত পরিবর্তনের কারণে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে রুট পরিবর্তনের প্রবণতা বাড়ছে। মারিয়া মোইতা আরও বলেন, গত কয়েক বছরে ব্যবহৃত প্রচলিত রুটগুলোতে যাতায়াত কমে এসেছে। অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী এখন বিকল্প পথ বেছে নিচ্ছেন, যা তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ এবং বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। তবে আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে অনিরাপদ পথে যাত্রাকালে মৃত্যুর সংখ্যা আগের বছর ২০২৪ সালের তুলনায় কিছুটা কম। ২০২৪ সালে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৯ হাজার ১৯৭ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছিলেন। এর পরও মারিয়া মোইতা সতর্ক করে বলেন, এই পরিসংখ্যান দেখে মৃত্যুহার কমেছে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।  তিনি জানান, ২০২৫ সালে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ সমুদ্রে নিখোঁজ হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কোনো দেশের সরকার বা স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক তথ্য না থাকায় তা প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow