এক মাসে যোগ-বিয়োগ শেখাতে না পারলে শিক্ষক বরখাস্ত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে যোগ ও বিয়োগ শেখাতে না পারলে সংশ্লিষ্ট গণিত শিক্ষক ও দায়িত্বরত শিক্ষা কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা হবে। সম্প্রতি সিলেট অঞ্চলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ নির্দেশ দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ারও করেছেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের যোগ-বিয়োগ পারার কথা। যদি না পারে সবাইকে একসঙ্গে এক ক্লাসে যোগ-বিয়োগ শেখাবেন। এক মাসে আগে যোগ-বিয়োগ শেখাবেন, অন্য সব ভুলে যান। ক্যালকুলেশন, ফ্র্যাকশন-ট্র্যাকশন সব ভুলে যান, আগে যোগ-বিয়োগ। ববি হাজ্জাজ বলেন, একই সঙ্গে বাংলা রিডিং যারা পারে না, সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে আসবেন। এখানে কার বয়স কত, সেটি ইম্পর্টেন্ট (গুরুত্বপূর্ণ) না। এটা আপনি চিন্তা করবেন রেমিডিয়াল ক্লাস, মানে ওই রেগুলার ক্লাস করবো, ঘুমাবো, তারপর আবার রেডি করবো, তা না। আমি এক্সট্রা টাইমের কথা বলছি না। ওই টাইমের ভেতরে রেডি হবে। আরও পড়ুন তাহিরপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় স্কুলে পড়িয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ববি হাজ্জাজ শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আগ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে যোগ ও বিয়োগ শেখাতে না পারলে সংশ্লিষ্ট গণিত শিক্ষক ও দায়িত্বরত শিক্ষা কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা হবে।
সম্প্রতি সিলেট অঞ্চলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ নির্দেশ দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ারও করেছেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের যোগ-বিয়োগ পারার কথা। যদি না পারে সবাইকে একসঙ্গে এক ক্লাসে যোগ-বিয়োগ শেখাবেন। এক মাসে আগে যোগ-বিয়োগ শেখাবেন, অন্য সব ভুলে যান। ক্যালকুলেশন, ফ্র্যাকশন-ট্র্যাকশন সব ভুলে যান, আগে যোগ-বিয়োগ।
ববি হাজ্জাজ বলেন, একই সঙ্গে বাংলা রিডিং যারা পারে না, সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে আসবেন। এখানে কার বয়স কত, সেটি ইম্পর্টেন্ট (গুরুত্বপূর্ণ) না। এটা আপনি চিন্তা করবেন রেমিডিয়াল ক্লাস, মানে ওই রেগুলার ক্লাস করবো, ঘুমাবো, তারপর আবার রেডি করবো, তা না। আমি এক্সট্রা টাইমের কথা বলছি না। ওই টাইমের ভেতরে রেডি হবে।
শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আগামীকাল এসে আপনি রিভিউ করবেন, রিভিউ করে টিও (থানা কর্মকর্তা) সাহেবকে জানাবেন, টিও সাহেব রিপোর্ট করবেন। ডিপিও (জেলা কর্মকর্তা) সাহেব এটা কিন্তু শক্তভাবে দেখবেন। সেপ্টেম্বরের ১ তারিখে আমি ডিপিওর কাছ থেকে রিপোর্ট নেবো আপনার স্কুলের কী উন্নতি হয়েছে।
তিনি বলেন, আমি এক মাস পর রিপোর্ট চাই, ওই টিচার যদি শেখাতে না পারেন তাহলে সাসপেন্ডেড হবেন। সেপ্টেম্বরের ১ তারিখে আমি ডিপিওর কাছ থেকে রিপোর্ট নেবো আপনার স্কুলের কী হয়েছে এবং যদি তার ভেতরে এইটুকু আপস্কেলিং করতে না পারেন তিনি সাসপেন্ডেড হবেন।
সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন জরিপে দেখা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঠিকভাবে বাংলা পড়তে ও লিখতে পারে না। তারা যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগেও দুর্বল। এ সমস্যার নেপথ্যের কারণ খুঁজতে সরেজমিন বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করছেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
এএএইচ/বিএ
What's Your Reaction?
