একটি মহল হামলা ও কালো টাকার রাজনীতি শুরু করেছে : সাইফুল হক
নির্বাচনী মাঠে ‘কোদাল’ প্রতীকের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস, হামলা ও কালো টাকার রাজনীতি শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা–১২ আসনের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী এখন দাঁড়িপাল্লার এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে তারা সহিংসতা ও অবৈধ টাকার মাধ্যমে ভোট প্রভাবিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা–১২ আসনে কোদাল মার্কার নির্বাচন অফিসে সংবাদ সম্মেলন এবং মধুবাগে প্রতিবাদ সমাবেশে সাইফুল হক এসব কথা বলেন। প্রশাসনের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় আমরা থানা ও নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করতে বাধ্য হবো। সাইফুল হক বলেন, চুরি করে, জোর করে বা টাকা দিয়ে এবার ভোটারদের আকৃষ্ট করা যাবে না। জনগণ এখন সচেতন। আমরা চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা বিজয়ী হবো, ইনশাল্লাহ। সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি ক্ষোভ
নির্বাচনী মাঠে ‘কোদাল’ প্রতীকের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস, হামলা ও কালো টাকার রাজনীতি শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা–১২ আসনের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
তিনি বলেন, ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী এখন দাঁড়িপাল্লার এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে তারা সহিংসতা ও অবৈধ টাকার মাধ্যমে ভোট প্রভাবিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা–১২ আসনে কোদাল মার্কার নির্বাচন অফিসে সংবাদ সম্মেলন এবং মধুবাগে প্রতিবাদ সমাবেশে সাইফুল হক এসব কথা বলেন।
প্রশাসনের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় আমরা থানা ও নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করতে বাধ্য হবো।
সাইফুল হক বলেন, চুরি করে, জোর করে বা টাকা দিয়ে এবার ভোটারদের আকৃষ্ট করা যাবে না। জনগণ এখন সচেতন। আমরা চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা বিজয়ী হবো, ইনশাল্লাহ।
সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের ভাইদের রক্ত ঝরানো হয়েছে। এই অন্যায়ের চরম মূল্য দিতে হবে। প্রশাসন যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করে, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।
তিনি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করুন এবং একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
প্রতিবাদ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, আকবর খান, এল রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক। তারা সন্ত্রাস ও হামলার প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
সমাবেশে নেতারা বলেন, জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় যেকোনো ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার বিরুদ্ধে রাজপথে থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।
What's Your Reaction?