‘একমাত্র আমার মেয়েই বিদেশে শিক্ষকতা করে’, ভাইরাল গাঙ্গুয়ার যে বক্তব্য

বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় খল অভিনেতা গাঙ্গুয়া। পর্দায় ভয়ংকর ভিলেন হিসেবে পরিচিত হলেও ব্যক্তিজীবনে তিনি একজন গর্বিত বাবা। অনেকেরই অজানা, তার কোনো ছেলে সন্তান নেই। তার একমাত্র সন্তান একটি মেয়ে। সেই মেয়েকেই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করেন এই অভিনেতা। সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে গাঙ্গুয়ার বক্তব্য ছাপা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে এই অভিনেতা তার মেয়েকে নিয়ে আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের অনেক ছেলে বিদেশে শিক্ষকতা করলেও নারী হিসেবে একমাত্র তার মেয়েই বিদেশে শিক্ষকতা করছেন। তার এই দাবিটি বেশ ভাইরাল হয়েছে। অনেকে বিষয়টি গাঙ্গুয়ার না জানা ভুল মনে করছেন। কারণ বিশ্বের নানা দেশে বাংলাদেশের অসংখ্য নারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। আরও পড়ুন সভাপতি নির্বাচিত হলে শিল্পীদের জন্য যা করবেন শিবা শানু গাঙ্গুয়ার ভাষায়, ‘আমার মেয়ে এতটাই সুশিক্ষিত যে, বাংলাদেশের মেয়ে হয়েও বিদেশি কলেজে শিক্ষকতা করছে। এটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া। অনেক ছেলে আছে যারা বিদেশে শিক্ষকতা করে, কিন্তু কোনো মেয়ে নাই; কেউ দেখাতে পারবে না। একমাত্র আমার মেয়েই বিদেশের টিচার।’ মেয়ের শিক্ষার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন

‘একমাত্র আমার মেয়েই বিদেশে শিক্ষকতা করে’, ভাইরাল গাঙ্গুয়ার যে বক্তব্য

বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় খল অভিনেতা গাঙ্গুয়া। পর্দায় ভয়ংকর ভিলেন হিসেবে পরিচিত হলেও ব্যক্তিজীবনে তিনি একজন গর্বিত বাবা। অনেকেরই অজানা, তার কোনো ছেলে সন্তান নেই। তার একমাত্র সন্তান একটি মেয়ে। সেই মেয়েকেই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করেন এই অভিনেতা।

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে গাঙ্গুয়ার বক্তব্য ছাপা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে এই অভিনেতা তার মেয়েকে নিয়ে আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের অনেক ছেলে বিদেশে শিক্ষকতা করলেও নারী হিসেবে একমাত্র তার মেয়েই বিদেশে শিক্ষকতা করছেন। তার এই দাবিটি বেশ ভাইরাল হয়েছে। অনেকে বিষয়টি গাঙ্গুয়ার না জানা ভুল মনে করছেন। কারণ বিশ্বের নানা দেশে বাংলাদেশের অসংখ্য নারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

গাঙ্গুয়ার ভাষায়, ‘আমার মেয়ে এতটাই সুশিক্ষিত যে, বাংলাদেশের মেয়ে হয়েও বিদেশি কলেজে শিক্ষকতা করছে। এটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া। অনেক ছেলে আছে যারা বিদেশে শিক্ষকতা করে, কিন্তু কোনো মেয়ে নাই; কেউ দেখাতে পারবে না। একমাত্র আমার মেয়েই বিদেশের টিচার।’

মেয়ের শিক্ষার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আমি আমার মেয়েকে কোনো বাড়ি-গাড়ি বা সম্পত্তি দিইনি। আমি তাকে সুশিক্ষিত করেছি। সেটাই আমার সবচেয়ে বড় সম্পদ।’


সিনেমার একটি দৃশ্যে গাঙ্গুয়া

তিনি আরও দাবি করেন, তার মেয়ে বিদেশের একটি কলেজে শিক্ষকতা করছেন। একজন বাবা হিসেবে এটি তাকে গর্বিত করে।

তিনি এও জানান, এখন আর নিয়মিত কাজ করেন না। জীবনের প্রায় সব দায়িত্বই সামলাচ্ছেন তার মেয়ে। গাঙ্গুয়ার ভাষ্য, ‘আমার এখন কোনো কাজ নেই। আমি কোনো কাজ করি না। আমার সবকিছু আমার মেয়েই করে দেয়।’

তবে কবে কখন তিনি এই ধরনের বক্তব্যের সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তার কোনো নিশ্চিত তথ্য মেলেনি। অভিনেতার সঙ্গে জাগো নিউজের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও তার সাড়া মেলেনি।

বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, গাঙ্গুয়ার মেয়ের নাম ফারজানা আক্তার পপি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল থেকে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে স্নাতকোত্তর শেষ করেন। এরপর ঢাকার অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শিক্ষতায় যুক্ত হন। সেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে ২০২১ সালে উজবেকিস্তানের ইন্দেন্টো দ্য উজবেক ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে গণিত বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে ঢাকাই সিনেমায় পা রাখেন পারভেজ গাঙ্গুয়া। তিনি অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ১৯৯২ সালে নজরুল পরিচালিত ‘মাস্তান রাজা’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন এই অভিনেতা।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow