একরাম হত্যা: সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন
২০১৮ সালে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তৎকালীন র্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বর্তমানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আইএসপিআর জানায়, মিফতাহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের মে মাসে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন স্থানীয় কাউন্সিলর একরামুল হক। ঘটনাটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ ওঠে। এদিকে, ২০২১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দুই বাংলাদেশি কর্মকর্তার একজন ছিলেন মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ। ওই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের পাশাপাশি তার নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
২০১৮ সালে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তৎকালীন র্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বর্তমানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, মিফতাহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের মে মাসে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন স্থানীয় কাউন্সিলর একরামুল হক। ঘটনাটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ ওঠে।
এদিকে, ২০২১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দুই বাংলাদেশি কর্মকর্তার একজন ছিলেন মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ। ওই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের পাশাপাশি তার নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
What's Your Reaction?