এখনই ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিচ্ছে, ৫ বছরে কী হবে

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি না করে দুর্নীতি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেছেন, ‘মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে মন্ত্রীদের দেখলেই জনগণ কেন ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিচ্ছে। আগামী ৫ বছরে কী হবে তার জন্য প্রস্তুত থাকুন। অতীত থেকে শিক্ষা নিন।’ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ঢাকা মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের যাত্রা ব্যর্থতা দিয়ে শুরু হয়েছে বলে উল্লেখ করে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘গণভোটসহ বিভিন্ন বিষয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি সরকার।’ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী দুই বছরের মধ্যে দাম না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও কয়েক মাসের মধ্যেই সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। এতে দেশের প্রায় তিন কোটি গ্রাহকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।’ মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, ‘ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় বন্ধ না করে তার বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাত্র কয়েক দিনের গণশ

এখনই ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিচ্ছে, ৫ বছরে কী হবে

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি না করে দুর্নীতি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেছেন, ‘মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে মন্ত্রীদের দেখলেই জনগণ কেন ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিচ্ছে। আগামী ৫ বছরে কী হবে তার জন্য প্রস্তুত থাকুন। অতীত থেকে শিক্ষা নিন।’

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ঢাকা মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের যাত্রা ব্যর্থতা দিয়ে শুরু হয়েছে বলে উল্লেখ করে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘গণভোটসহ বিভিন্ন বিষয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি সরকার।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী দুই বছরের মধ্যে দাম না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও কয়েক মাসের মধ্যেই সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। এতে দেশের প্রায় তিন কোটি গ্রাহকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।’

মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, ‘ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় বন্ধ না করে তার বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাত্র কয়েক দিনের গণশুনানির মাধ্যমে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে এবং কারিগরি কমিটির সুপারিশের চেয়েও বেশি হারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।’

এর প্রভাব পরিবহন, উৎপাদন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারসহ সব খাতে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থনৈতিক নীতির সমালোচনা করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘জনগণের নিরাপত্তাও আপনারা নিশ্চিত করতে পারছেন না। অথচ অর্থমন্ত্রী আইএমএফের শর্ত মানতে জনগণের দুর্ভোগ বাড়িয়েছেন। আপনারা সামনের ৫ বছরে হয়তো জনগণের রক্ত চুষে খেয়ে ফেলবেন। আপনারা দুর্নীতিবাজের হাতে ব্যাংক তুলে দিতে গ্রাহকের উপর গুলি চালাতে পারেন অথচ অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।’

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘অবিলম্বে তেল গ্যাসের দাম যা বাড়িয়েছেন তা কমান। এর সঙ্গে সঙ্গে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির লাগাম টেনে ধরুন। ইসলামী ব্যাংক দখলসহ লুটপাটের যে পরিকল্পনা করছেন তা বন্ধ করুন। একদল লুটেরা পালাতে বাধ্য হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণকে আর সেই পথে যেতে বাধ্য করবেন না।’

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ দলীয় নেতারা।  সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড়-বিজয়নগর প্রদক্ষিণ করে কাকরাইল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow