এখনও সময় আছে—বলে সাংবাদিককে হুমকি দিলেন জবি ছাত্রদল নেত্রী খাদিজা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদল নেত্রী খাদিজাতুল কুবরা এর একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “আমি যখন জেলে যাই, তখন রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি ছাড়া কেউ খোঁজ নেয়নি।” এই পোস্ট ঘিরে সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে ফোন করে তিনি হুমকি ও তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে বলেন “আপনাদের এখনও সময় আছে, আপনারা সংযত হন, এখন থেকে শুধরে যান। আপনারা এই ব্লু সাংবাদিকতা করে প্রত্যেকটা মানুষকে খারাপ করেন"। এর আগে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে খাদিজাতুল কুবরা ছাত্রদলে যোগ দেওয়ার কারণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, তার এই সিদ্ধান্ত কোনো নীতিগত বা রাজনৈতিক হিসাব থেকে নয়; বরং মানবিক অভিজ্ঞতার বাস্তবতা থেকেই নেওয়া। সেই ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লিখেন, তার পরিবার সম্পূর্ণভাবে নন-পলিটিক্যাল। তিনি কারাবন্দি হওয়ার পর আত্মীয়স্বজন একপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করে দেন এবং পরিচিত মহলের অনেকেই খোঁজখবর নেওয়া বন্ধ করে দেন। ঠিক এমন কঠিন সময়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে একমাত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–ই তার এবং তার পরি

এখনও সময় আছে—বলে সাংবাদিককে হুমকি দিলেন জবি ছাত্রদল নেত্রী খাদিজা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদল নেত্রী খাদিজাতুল কুবরা এর একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “আমি যখন জেলে যাই, তখন রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি ছাড়া কেউ খোঁজ নেয়নি।”

এই পোস্ট ঘিরে সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে ফোন করে তিনি হুমকি ও তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে বলেন “আপনাদের এখনও সময় আছে, আপনারা সংযত হন, এখন থেকে শুধরে যান। আপনারা এই ব্লু সাংবাদিকতা করে প্রত্যেকটা মানুষকে খারাপ করেন"।

এর আগে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে খাদিজাতুল কুবরা ছাত্রদলে যোগ দেওয়ার কারণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, তার এই সিদ্ধান্ত কোনো নীতিগত বা রাজনৈতিক হিসাব থেকে নয়; বরং মানবিক অভিজ্ঞতার বাস্তবতা থেকেই নেওয়া। সেই ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লিখেন, তার পরিবার সম্পূর্ণভাবে নন-পলিটিক্যাল। তিনি কারাবন্দি হওয়ার পর আত্মীয়স্বজন একপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করে দেন এবং পরিচিত মহলের অনেকেই খোঁজখবর নেওয়া বন্ধ করে দেন। ঠিক এমন কঠিন সময়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে একমাত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–ই তার এবং তার পরিবারের খোঁজ নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পোস্টে আরও বলা হয়, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পাশাপাশি ইশরাক হোসেনসহ আরও কয়েকজন নেতা তার পরিবারের খোঁজ নিতে বাসায় যেতে চাইলেও ভয় ও নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কার কারণে পরিবার সে প্রস্তাবে রাজি হয়নি বলেও তিনি লেখেন। এছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে তারেক রহমানও তার খোঁজ নিয়েছিলেন বলে তিনি ধারণা করেন।

খাদিজাতুল কুবরা পোস্টে উল্লেখ করেন, ওই সময়ে আর্থিক সহায়তার চেয়ে পাশে দাঁড়ানোই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে তিনি আক্ষেপ করে লেখেন, তার সেই সংকটকালে কোনো জামায়াত নেতা তার খোঁজ নেননি এবং কোনো শিবিরকেও তার পক্ষে কোনো আন্দোলনে দেখা যায়নি। পরিশেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে লিখেন, তার ওপর সংঘটিত নির্যাতনের বিচার তিনি পাবেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন এ বিষয়টি তিনি কখনো অস্বীকার করেন না। তবে সবার সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত হওয়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত পছন্দ থাকবেই।

হুমকি ও তাচ্ছিল্যের শিকার হওয়া সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক এ বিষয়ে বলেন , ছাত্রদল নেত্রী খাদিজাতুল কুবরার ফেসবুক পোস্টে লেখা ছিল আমি যখন জেলে ছিলাম, তখন রাজনৈতিক দল হিসেবে একমাত্র বিএনপি ছাড়া কেউ আমার পাশে ছিল না এই কথাটি সংবাদ প্রকাশের ভাষায় আমি যখন জেলে ছিলাম তখন বিএনপি ছাড়া কেউ পাশে ছিল না এটা লেখা হয়েছে।

এখানে রাজনৈতিক দল হিসেবে একমাত্র বিএনপি ছাড়া এবং শুধু বিএনপি ছাড়া কেউ পাশে ছিল না বলতে একই কথা বলে উল্লেখ করেছি কিন্তু তিনি এ নিয়ে আমাকে এক প্রকার হুমকি প্রদান করেন এবং কি লিখব না লিখব তা নিয়ে শোধরে যেতে বলেন বলে হুমকি দেন। সে সংক্রান্ত রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে প্রতিবেদকের কাছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow