ঈদের চাপ কেটে গেছে। রাজধানীর প্রবেশ এবং বহির্মুখগুলোতে নেই যাত্রীদের চিরচেনা উপচেপড়া ভিড়। বরং এখনো অনেকে যেমন ঢাকা ছাড়ছেন, আবার কেউ কেউ ঈদ শেষে গ্রামের স্বজনদের ছেড়ে ঢাকামুখীও হচ্ছেন।
সরেজমিনে ঈদের তৃতীয় দিন বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর অন্যতম প্রবেশমুখ হিসেবে পরিচিত গাবতলী বাস টার্মিনাল ও এর আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, স্বজনদের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে টুকটাক করে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা। গ্রাম থেকে ঢাকায় প্রবেশ করা গাড়িগুলো থেকে বেশ ভালোই যাত্রী নামতে দেখা গেছে। একই ভাবে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া গাড়িগুলোর আসনও খুব একটা ফাঁকা থাকছে না। এসব গাড়িও বেশ ভালো সংখ্যক যাত্রী নিয়েই ঢাকা থেকে বের হচ্ছে।
আরও পড়ুন
রাজদূত পরিবহনের টিকিট কাউন্টারের ম্যানেজার মাসুদ জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া গাড়িগুলোর কোনোটারই সিট ফাঁকা যাচ্ছে না। আবার ঢাকামুখী গাড়িও সব আসনে যাত্রী নিয়েই ফিরছে।
রাজাপুর ট্রাভেলসের টিকিট বিক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, কাঙ্ক্ষিত যাত্রী আছে। তবে ঈদের আগের দিনের মতো উপচেপড়া ভিড় নেই। মানুষ স্বস্তিতে যাওয়া-আসা করছে।
পেশায় প্রকৌশলী রংপুরগামী রতন নামের এক যাত্রীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ঢাকায় পরিবারসহ ঈদ করেছি। এখন গ্রামে বেড়াতে যাচ্ছি। আমরা সাধারণত ভোগান্তি এড়াতে ঈদের আগে যাই না। এখন যে রিলাক্সে যাচ্ছি, টিকিট কাটা, বাসে উঠায় চাপ নেই। সড়কে জ্যাম নেই। ভ্রমণে স্বস্তি আছে। ঈদের মধ্যে যাতায়াতে এসব চাপটা নিতে হয়।
আরও পড়ুন
তার সঙ্গে আরেক যাত্রী মিকাইল হোসেন বলেন, আসলে আমার কিছু কাজ ছিল ঢাকায়। এখন বেড়াতে গ্রামে যাচ্ছি।
ঈদ শেষে ঢাকায় ফেরা যাত্রী আকরাম বলেন, ঈদের দুদিন আগেই গ্রামে গিয়েছি। ঈদ শেষ করে আজ ফিরলাম। ঢাকায় কিছু কাজ আছে। সেগুলো শেষ করে অফিসে জয়েন করবো।
এসইউজে/এমকেআর/জেআইএম