এটাই হয়তো শেষ ভোট, ছেলের কোলে চড়ে ভোট দিলেন ৯০ বছরের কুদ্দুস

আব্দুল কুদ্দুস। বয়স ৯০ বছর। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর গ্রীন রোডের ওয়াইডব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এসেছিলেন ছেলের কোলে চড়ে ভোট দিতে। ভোটপ্রদান শেষে আব্দুল কুদ্দুস জাগো নিউজকে বলেন, হয়তো এবারই আমার শেষ ভোট। ছেলের কোলে এসে দিয়ে গেলাম। ভোট দিয়ে খুব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। তিনি বলেন, আমি জিয়ার রহমানের সঙ্গে খালে মাটি কাটছি। আমি সেই লোক। আমি খালেদা জিয়ার গুরু। আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মো. খোরশেদ আলম জাগো নিউজকে জানান, হাতিরপুল থেকে এখানে ভোট দিতে এসেছি। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে ভালো লাগছে। এজন্য বাবাকে কোলে নিয়েই কেন্দ্রে এসেছি। আমার বাবার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। এর আগে একই কেন্দ্রে ভোট দেন ঢাকা-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। এদিকে সপরিবারে রাজধানীর ধানমন্ডি সরকারি বয়েজ হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউসুফ। ভোট দেওয়ার পর ‘হানাহানিমুক্ত বাংলাদেশ’র প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।  তিনি বলেন, ভালো লাগছে ভোট দিয়ে। সহধর্মিণী, ছেলে এবং ছেলের স্ত্রীকে নিয়ে এসেছি এই উৎসবে যোগ দিতে। আমরা একটি হানিহানিমুক্ত বাংলাদেশ চাই। যেখানে কো

এটাই হয়তো শেষ ভোট, ছেলের কোলে চড়ে ভোট দিলেন ৯০ বছরের কুদ্দুস

আব্দুল কুদ্দুস। বয়স ৯০ বছর। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর গ্রীন রোডের ওয়াইডব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এসেছিলেন ছেলের কোলে চড়ে ভোট দিতে।

ভোটপ্রদান শেষে আব্দুল কুদ্দুস জাগো নিউজকে বলেন, হয়তো এবারই আমার শেষ ভোট। ছেলের কোলে এসে দিয়ে গেলাম। ভোট দিয়ে খুব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি।

তিনি বলেন, আমি জিয়ার রহমানের সঙ্গে খালে মাটি কাটছি। আমি সেই লোক। আমি খালেদা জিয়ার গুরু।

আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মো. খোরশেদ আলম জাগো নিউজকে জানান, হাতিরপুল থেকে এখানে ভোট দিতে এসেছি। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে ভালো লাগছে। এজন্য বাবাকে কোলে নিয়েই কেন্দ্রে এসেছি। আমার বাবার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।

এর আগে একই কেন্দ্রে ভোট দেন ঢাকা-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম।

এদিকে সপরিবারে রাজধানীর ধানমন্ডি সরকারি বয়েজ হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউসুফ। ভোট দেওয়ার পর ‘হানাহানিমুক্ত বাংলাদেশ’র প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। 

তিনি বলেন, ভালো লাগছে ভোট দিয়ে। সহধর্মিণী, ছেলে এবং ছেলের স্ত্রীকে নিয়ে এসেছি এই উৎসবে যোগ দিতে। আমরা একটি হানিহানিমুক্ত বাংলাদেশ চাই। যেখানে কোনো মারামারি, কাটাকাটি কিংবা বিবাদ থাকবে না।

টিটি/জেএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow