এটিএম কার্ড মেটাল করে দেওয়ার প্রলোভন, হারাতে পারেন ব্যাংকের টাকা

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ব্যাংকিং সেবা যেমন সহজ ও দ্রুত হয়েছে, তেমনি বেড়েছে প্রতারণার ঝুঁকিও। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে কিছু অননুমোদিত তৃতীয় পক্ষের (থার্ড-পার্টি) প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ডেবিট ও ক্রেডিট প্লাস্টিক কার্ডকে আকর্ষণীয় ‘মেটাল কার্ডে’ রূপান্তরের প্রলোভন দিচ্ছে। দেখতে আকর্ষণীয় এই অফারটি অনেকের কাছেই আকর্ষণীয় মনে হলেও, এর আড়ালে লুকিয়ে আছে বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকি। এই ধরনের সেবা গ্রহণের সময় গ্রাহকদের কাছ থেকে কার্ড নম্বর, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, সিভিভি সহ অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যা পরবর্তীতে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের সম্ভাবনা তৈরি করে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই সব প্রতিষ্ঠান কোনোভাবেই ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নয়। ঝুঁকি কোথায়? বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অননুমোদিত কার্যক্রমের ফলে গ্রাহকরা কয়েকটি বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন- প্রথমত, কার্ডের গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে জালিয়াতির আশঙ্কা তৈরি হয়। দ্বিতীয়ত, গ্রাহকের অনুমতি ছাড়াই অননুমোদিত লেনদেন সংঘটিত হতে পারে। তৃতীয়ত, এর ফলে সরাসরি আর্থিক ক্ষতি এবং ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্ন

এটিএম কার্ড মেটাল করে দেওয়ার প্রলোভন, হারাতে পারেন ব্যাংকের টাকা

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ব্যাংকিং সেবা যেমন সহজ ও দ্রুত হয়েছে, তেমনি বেড়েছে প্রতারণার ঝুঁকিও। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে কিছু অননুমোদিত তৃতীয় পক্ষের (থার্ড-পার্টি) প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ডেবিট ও ক্রেডিট প্লাস্টিক কার্ডকে আকর্ষণীয় ‘মেটাল কার্ডে’ রূপান্তরের প্রলোভন দিচ্ছে। দেখতে আকর্ষণীয় এই অফারটি অনেকের কাছেই আকর্ষণীয় মনে হলেও, এর আড়ালে লুকিয়ে আছে বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকি।

এই ধরনের সেবা গ্রহণের সময় গ্রাহকদের কাছ থেকে কার্ড নম্বর, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, সিভিভি সহ অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যা পরবর্তীতে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের সম্ভাবনা তৈরি করে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই সব প্রতিষ্ঠান কোনোভাবেই ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নয়।

ঝুঁকি কোথায়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অননুমোদিত কার্যক্রমের ফলে গ্রাহকরা কয়েকটি বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন-

  • প্রথমত, কার্ডের গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে জালিয়াতির আশঙ্কা তৈরি হয়।
  • দ্বিতীয়ত, গ্রাহকের অনুমতি ছাড়াই অননুমোদিত লেনদেন সংঘটিত হতে পারে।
  • তৃতীয়ত, এর ফলে সরাসরি আর্থিক ক্ষতি এবং ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়।

এই ঝুঁকিগুলো শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং পুরো ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর আস্থা কমিয়ে দিতে পারে।

গ্রাহকের করণীয়

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের পরামর্শ দিয়েছে-এ ধরনের পরিস্থিতিতে সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা। কোনো অবস্থাতেই অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে কার্ড সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করা উচিত নয়। একইসঙ্গে প্লাস্টিক কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তরের মতো অফার থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন।

ব্যাংকিং সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই শুধুমাত্র ব্যাংকের অনুমোদিত চ্যানেল। যেমন শাখা, উপ-শাখা বা কল সেন্টার ব্যবহার করা উচিত। এতে প্রতারণার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড)। আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওটিপি বা কার্ড সম্পর্কিত কোনো তথ্য কখনোই অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করা উচিত নয়। ব্যাংক কখনোই গ্রাহকের ওটিপি বা গোপন তথ্য চায় না।

সূত্র: পূবালী ব্যাংক পিএলসি

আরও পড়ুন
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল খবরের সত্যতা যাচাই করবে গুগল
এখন নোটপ্যাডেও পাবেন ইমেজ সাপোর্ট

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow