এতিম শিশুদের সঙ্গে ইউএনওর অন্যরকম ঈদ
পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ এতিম শিশুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান। এ সময় তিনি শিশুদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং নিজের হাতে কোরবানির মাংস বিতরণ করেন।
ঈদের দিন (২৮ মে) উপজেলার কয়েকটি এতিমখানা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় গিয়ে ইউএনও শিশুদের খোঁজখবর নেন। ঈদের দিনে প্রশাসনের এমন মানবিক উপস্থিতিতে খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়ে এতিমখানার শিশুদের মাঝে। প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাকে নিজেদের পাশে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে অসহায় শিশুরা। তারা ইউএনওর সঙ্গে গল্পে মেতে ওঠে এবং নিজেদের আনন্দের অনুভূতির কথা শেয়ার করে।
এতিম শিশু ইউসুফ জানায়, ঈদের দিনে আমাদের কাছে এসে খোঁজ নেওয়ায় অনেক ভালো লাগছে। আমরা সবাই খুব খুশি হয়েছি।
আরেক শিশু জোনায়েদ বলে, আমরা সবাই একসঙ্গে ঈদ করেছি। ম্যাডামও আমাদের সঙ্গে খেয়েছেন। তিনি আমাদের জন্য মাংস নিয়ে এসেছেন, আমাদের অনেক আনন্দ লাগছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান বলেন, ঈদের আনন্দ সবার জন্য। এতিম ও অসহায় শিশুদের মুখে এই খুশির দিনে একটুখানি
পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ এতিম শিশুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান। এ সময় তিনি শিশুদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং নিজের হাতে কোরবানির মাংস বিতরণ করেন।
ঈদের দিন (২৮ মে) উপজেলার কয়েকটি এতিমখানা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় গিয়ে ইউএনও শিশুদের খোঁজখবর নেন। ঈদের দিনে প্রশাসনের এমন মানবিক উপস্থিতিতে খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়ে এতিমখানার শিশুদের মাঝে। প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাকে নিজেদের পাশে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে অসহায় শিশুরা। তারা ইউএনওর সঙ্গে গল্পে মেতে ওঠে এবং নিজেদের আনন্দের অনুভূতির কথা শেয়ার করে।
এতিম শিশু ইউসুফ জানায়, ঈদের দিনে আমাদের কাছে এসে খোঁজ নেওয়ায় অনেক ভালো লাগছে। আমরা সবাই খুব খুশি হয়েছি।
আরেক শিশু জোনায়েদ বলে, আমরা সবাই একসঙ্গে ঈদ করেছি। ম্যাডামও আমাদের সঙ্গে খেয়েছেন। তিনি আমাদের জন্য মাংস নিয়ে এসেছেন, আমাদের অনেক আনন্দ লাগছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান বলেন, ঈদের আনন্দ সবার জন্য। এতিম ও অসহায় শিশুদের মুখে এই খুশির দিনে একটুখানি হাসি ফোটাতে পারলে সেটাই আমাদের প্রশাসনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। সমাজের বিত্তবানদেরও যার যার অবস্থান থেকে এ ধরনের মানবিক কাজে এগিয়ে আসা উচিত, যেন কোনো শিশুই ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়।