এপ্রিলে তেল নিতে লাগবে কিউআর ডিজিটাল ‘ফুয়েল পাস’
চলতি মাস থেকেই জ্বালানি বিক্রি নিয়ন্ত্রণে কিউআর কোড সংযুক্ত ডিজিটাল ‘ফুয়েল পাস’ চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি ক্রয় রোধ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে আসছে এই নতুন প্রযুক্তি।
প্রতিটি নিবন্ধিত যানবাহনের জন্য মোবাইল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত একটি কিউআর কোড তৈরি হবে। ব্যবহারকারীকে প্রথমে নিজের পরিচয় এবং যানবাহনের তথ্য দিয়ে অ্যাপে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নেওয়ার সময় পাম্পকর্মী মোবাইল ফোন দিয়ে সেই কোড স্ক্যান করবেন। সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই যানবাহনের জ্বালানি নেওয়ার তথ্য আপডেট করবে।
ফিলিং স্টেশনে ভিড় কমানো এবং অস্থিরতার মধ্যে জ্বালানি সরবরাহে শৃঙ্খলা আনা এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য।
ডিজিটাল ফুয়েল পাসে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কতটুকু জ্বালানি নেওয়া যাবে, সেটিও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। যেমন, অন্য দেশে মোটরসাইকেল সপ্তাহে প্রায় ৫ লিটার এবং গাড়ি ১৫ লিটার পর্যন্ত তেল নিতে পারে। নির্ধারিত সীমা শেষ হলে পরবর্তী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তেল নেওয়া যাবে না।
কেন প্রথমে মোটরসাইকেল? কারণ পেট্রোল ও অকটেনের বড় অংশই এই ধরনের যানবাহনে ব্যবহৃত হয় এবং ফিলিং স্টেশনে সবচেয়ে
চলতি মাস থেকেই জ্বালানি বিক্রি নিয়ন্ত্রণে কিউআর কোড সংযুক্ত ডিজিটাল ‘ফুয়েল পাস’ চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি ক্রয় রোধ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে আসছে এই নতুন প্রযুক্তি।
প্রতিটি নিবন্ধিত যানবাহনের জন্য মোবাইল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত একটি কিউআর কোড তৈরি হবে। ব্যবহারকারীকে প্রথমে নিজের পরিচয় এবং যানবাহনের তথ্য দিয়ে অ্যাপে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নেওয়ার সময় পাম্পকর্মী মোবাইল ফোন দিয়ে সেই কোড স্ক্যান করবেন। সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই যানবাহনের জ্বালানি নেওয়ার তথ্য আপডেট করবে।
ফিলিং স্টেশনে ভিড় কমানো এবং অস্থিরতার মধ্যে জ্বালানি সরবরাহে শৃঙ্খলা আনা এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য।
ডিজিটাল ফুয়েল পাসে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কতটুকু জ্বালানি নেওয়া যাবে, সেটিও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। যেমন, অন্য দেশে মোটরসাইকেল সপ্তাহে প্রায় ৫ লিটার এবং গাড়ি ১৫ লিটার পর্যন্ত তেল নিতে পারে। নির্ধারিত সীমা শেষ হলে পরবর্তী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তেল নেওয়া যাবে না।
কেন প্রথমে মোটরসাইকেল? কারণ পেট্রোল ও অকটেনের বড় অংশই এই ধরনের যানবাহনে ব্যবহৃত হয় এবং ফিলিং স্টেশনে সবচেয়ে বেশি ভিড় তৈরি হয়। তাই ছোট একটি অংশ দিয়ে শুরু করলে পরীক্ষা সহজ হবে এবং দ্রুত সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো সম্ভব হবে। এছাড়া রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ব্যবস্থার বাইরে থাকবে।
ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আগে কয়েকটি জেলায় ম্যানুয়াল ফুয়েল কার্ড চালু করা হয়েছে। সাতক্ষীরা, ঠাকুরগাঁও, চুয়াডাঙ্গা ও সিরাজগঞ্জে পেট্রোল ও অকটেন নেওয়ার সময় এই কার্ড বাধ্যতামূলক। এতে চালক ও যানবাহনের তথ্য লেখা থাকে এবং তেলের পরিমাণও নথিভুক্ত হয়।
নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে একটি অ্যাপস ডেভেলপ করছি। আশা করছি, এক সপ্তাহের মধ্যে দুই-একটি জায়গায় টেস্ট হিসেবে এটি চালু করতে পারব।
তিনি বলেন, একসঙ্গে সারা দেশে এই ব্যবস্থা চালু করা সহজ নয়। তাই প্রথমে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন লক্ষ্য করে দ্রুত একটি কার্যকর পর্যায়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। মূল লক্ষ্য হচ্ছে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি কেনা এবং মজুতের প্রবণতা কমানো।
আপনার মোটরসাইকেল বা গাড়ির জন্য ফুয়েল পাস পেতে প্রথমে মোবাইল অ্যাপে নিবন্ধন করতে হবে। তারপর কিউআর কোডের মাধ্যমে তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল নেওয়া বন্ধ হবে। সেই সাথে ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনের ঝামেলা কমবে।