এবার আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতকে নিয়েই ড্যাফোডিলে মেসির গোল উদযাপন

আর্জেন্টিনা ও জর্ডানের মধ্যকার ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ উপভোগ করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে উপস্থিত হন বাংলাদেশে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা। তার সঙ্গে আর্জেন্টিনা থেকে আগত কয়েকজন জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাতা ও ইনফ্লুয়েন্সারও ছিলেন। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি দেখতে রাষ্ট্রদূত ও তার সফরসঙ্গীরা সকাল ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা সম্মেলনকেন্দ্রে পৌঁছান। ম্যাচ শুরুর আগে তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, ছবি তোলেন এবং ক্যাম্পাসের ফুটবলমুখর পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম আর কবির, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ আল্লাইয়ারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ম্যাচকে ঘিরে স্বাধীনতা সম্মেলনকেন্দ্রে জড়ো হন বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ফুটবলপ্রেমী দর্শক। আর্জেন্টিনার জার্সি, পতাকা, ব্যানার এবং সমর্থকদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন। খেলার প্রতিটি মু

এবার আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতকে নিয়েই ড্যাফোডিলে মেসির গোল উদযাপন

আর্জেন্টিনা ও জর্ডানের মধ্যকার ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ উপভোগ করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে উপস্থিত হন বাংলাদেশে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা। তার সঙ্গে আর্জেন্টিনা থেকে আগত কয়েকজন জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাতা ও ইনফ্লুয়েন্সারও ছিলেন।

রোববার (২৮ জুন) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি দেখতে রাষ্ট্রদূত ও তার সফরসঙ্গীরা সকাল ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা সম্মেলনকেন্দ্রে পৌঁছান। ম্যাচ শুরুর আগে তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, ছবি তোলেন এবং ক্যাম্পাসের ফুটবলমুখর পরিবেশ ঘুরে দেখেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম আর কবির, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ আল্লাইয়ারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

jagonews24.com

ম্যাচকে ঘিরে স্বাধীনতা সম্মেলনকেন্দ্রে জড়ো হন বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ফুটবলপ্রেমী দর্শক। আর্জেন্টিনার জার্সি, পতাকা, ব্যানার এবং সমর্থকদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন। খেলার প্রতিটি মুহূর্তে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, আবেগ ও করতালিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। বিশেষ করে মেসির গোলের পর আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শকরা।

শ্বকাপের শুরু থেকেই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ফুটবল উন্মাদনা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের ম্যাচকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের উদযাপনের বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, যা বাংলাদেশের ফুটবল সংস্কৃতির প্রতি আন্তর্জাতিক মহলের আগ্রহ বাড়িয়েছে।
ফক্স সকার, ইএসপিএন এফসি, মার্কা, টিওয়াইসি স্পোর্টস, দিয়ারিও ওলে এবং জনপ্রিয় ফুটবল সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও ব্যক্তিত্বের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীদের ফুটবল উদযাপনের ভিডিও স্থান পেয়েছে।

এছাড়া, ব্রাজিল তারকা নেইমার জুনিয়রের প্রতিক্রিয়া, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ড্যাফোডিলের ব্রাজিল সমর্থকদের ভিডিও শেয়ার এবং ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষার্থীদের উদযাপনের দৃশ্য প্রকাশ পাওয়ায় বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও বেশি আলোচিত হয়।

jagonews24.com

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, বিশ্বকাপের ম্যাচ সবাই মিলে ক্যাম্পাসে দেখার অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল। রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে আরও বিশেষ করে তুলেছে।

আরেক শিক্ষার্থী আতিকুর রহমান বাবু বলেন, মেসির গোলের মুহূর্তে পুরো অডিটোরিয়াম উল্লাসে ফেটে পড়ে। এটি আমাদের জন্য সত্যিই একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, খেলাধুলা ও বিশ্বকাপকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের এই অংশগ্রহণ কেবল সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ নয়। বরং, এটি বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরির একটি কার্যকর মাধ্যম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই সময়ে এমন আয়োজন বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের আবেগ, সৃজনশীলতা এবং বৈশ্বিক ক্রীড়া সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার ইতিবাচক প্রতিফলন।

jagonews24.com

তাদের মতে, রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ড্যাফোডিলের ফুটবল উদযাপনের ধারাবাহিক আলোচনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। কারণ ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে মানুষকে একত্রিত করার এক বৈশ্বিক ভাষা।

সিফাত আল ফাহিম/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow