এবার বনানী থানার হত্যা মামলায় সাবেক এমপি জাফর গ্রেফতার

রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য কাজী জাফর উল্লাহকে গ্রেফতার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৫ জানুয়ারি) পুলিশের করা আবেদন শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তা মঞ্জুর করে আদেশ দেন। জাফর উল্লাহ বর্তমানে পল্টন থানার এক মামলায় কারাগারে রয়েছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ডিএমপির বনানী থানার একটি মামলায় এ আবেদন করা হয়। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/১০৯/১৪৯/৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার সাব-ইন্সপেক্টর মো. ইয়াছির আরাফাত আদালতে আবেদনে উল্লেখ করেন, এজাহারনামীয় আসামি কাজী জাফর উল্লাহ বর্তমানে অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে আটক রয়েছেন। এজাহার ও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ডাকে রাজধানীর বনানী থানাধীন মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল হয়। অভিযোগে বলা হয়, ওই মিছিলে এজাহারনামীয় ১ থেকে ২৭ নম্বর আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনা, যোগসাজশ ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে ২৮ থেকে ৯৭ নম্বর আসামিসহ আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী বেআইনিভাবে একত্রিত হ

এবার বনানী থানার হত্যা মামলায় সাবেক এমপি জাফর গ্রেফতার

রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য কাজী জাফর উল্লাহকে গ্রেফতার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৫ জানুয়ারি) পুলিশের করা আবেদন শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তা মঞ্জুর করে আদেশ দেন। জাফর উল্লাহ বর্তমানে পল্টন থানার এক মামলায় কারাগারে রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ডিএমপির বনানী থানার একটি মামলায় এ আবেদন করা হয়। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/১০৯/১৪৯/৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার সাব-ইন্সপেক্টর মো. ইয়াছির আরাফাত আদালতে আবেদনে উল্লেখ করেন, এজাহারনামীয় আসামি কাজী জাফর উল্লাহ বর্তমানে অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে আটক রয়েছেন।

এজাহার ও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ডাকে রাজধানীর বনানী থানাধীন মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ওই মিছিলে এজাহারনামীয় ১ থেকে ২৭ নম্বর আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনা, যোগসাজশ ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে ২৮ থেকে ৯৭ নম্বর আসামিসহ আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী বেআইনিভাবে একত্রিত হয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায় এবং নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করে।

ওই হামলার সময় মো. শাহজাহান (২২) নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন। তার পিতা মিল্লাত হোসেন এবং মাতা সাজেদা।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৪ জুলাই রাত আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা যান।

পরবর্তীতে নিহতের পরিবার আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে বনানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তভার গ্রহণের পর তদন্তকালে পুলিশ জানতে পারে, আসামি কাজী জাফর উল্লাহ এরই মধ্যে ডিএমপির পল্টন থানার মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে আটক আছেন।

পুলিশের আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণে দেখা যায়, কাজী জাফর উল্লাহ আলোচিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন।

শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা পুলিশের আবেদন মঞ্জুর করে আসামিকে অত্র মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।

এমডিএএ/এমআইএইচএস/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow