এবার ভারত মহাসাগরে তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে আবারও একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ভারত মহাসাগরে অভিযান চালিয়ে ‘ম্যাজেস্টিক এক্স’ নামের জাহাজটি দখলে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর। খবর দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের।  পেন্টাগন এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের তেল পাচার নেটওয়ার্ক ভাঙতে বৈশ্বিক সামুদ্রিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। যেখানে প্রয়োজন, সেখানে অভিযান চালিয়ে এমন জাহাজ আটক করা হবে। প্রতিরক্ষা দপ্তর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, মার্কিন বাহিনী জাহাজটির ডেকে অবস্থান নিয়েছে। জাহাজটি ভারত মহাসাগরে শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যবর্তী এলাকায় ছিল এবং চীনের ঝৌশান বন্দরের দিকে যাচ্ছিল বলে শিপ-ট্র্যাকিং তথ্য জানিয়েছে। জানা গেছে, ‘ম্যাজেস্টিক এক্স’ আগে ‘ফনিক্স’ নামে পরিচিত ছিল এবং ২০২৪ সালে ইরানি তেল পাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসে। জাহাজটি গায়ানার পতাকাবাহী। এই ঘটনা ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন একদিন আগেই ইরানের আধাসামরিক বাহিনী আইআরজিসি হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা চালিয়ে দুটি দখলে নেয়। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এ বিষয়ে

এবার ভারত মহাসাগরে তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে আবারও একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ভারত মহাসাগরে অভিযান চালিয়ে ‘ম্যাজেস্টিক এক্স’ নামের জাহাজটি দখলে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর। খবর দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের।  পেন্টাগন এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের তেল পাচার নেটওয়ার্ক ভাঙতে বৈশ্বিক সামুদ্রিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। যেখানে প্রয়োজন, সেখানে অভিযান চালিয়ে এমন জাহাজ আটক করা হবে। প্রতিরক্ষা দপ্তর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, মার্কিন বাহিনী জাহাজটির ডেকে অবস্থান নিয়েছে। জাহাজটি ভারত মহাসাগরে শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যবর্তী এলাকায় ছিল এবং চীনের ঝৌশান বন্দরের দিকে যাচ্ছিল বলে শিপ-ট্র্যাকিং তথ্য জানিয়েছে। জানা গেছে, ‘ম্যাজেস্টিক এক্স’ আগে ‘ফনিক্স’ নামে পরিচিত ছিল এবং ২০২৪ সালে ইরানি তেল পাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসে। জাহাজটি গায়ানার পতাকাবাহী। এই ঘটনা ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন একদিন আগেই ইরানের আধাসামরিক বাহিনী আইআরজিসি হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা চালিয়ে দুটি দখলে নেয়। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow