এবার স্টেডফাস্ট কুরিয়ারের তথ্যফাঁসের অভিযোগ
এবার জনপ্রিয় কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান ‘স্টেডফাস্ট কুরিয়ার’র গ্রাহকদের তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ডার্ক ওয়েবে গ্রাহকের পুরো নাম, ফোন নম্বর, পণ্য ডেলিভারির ঠিকানা, প্যাকেজ ট্র্যাকিং আইডি ও ক্যাশ অন ডেলিভারির অঙ্কের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। দুই দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কয়েকটি পোস্টে এমন দাবি করা হয়েছে। তবে স্টেডফাস্ট বলছে, ডাটা ফাঁস হওয়ার তথ্য এখনো তারা নিশ্চিত হতে পারেনি। কোনো হ্যাকার গ্রুপ এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কাছে কোনো অর্থও দাবি করেনি। দুই দিন আগে শাওন মীর নামের একজন ফেসবুক পোস্টে একটি স্ক্রিনশট দিয়ে লিখেছেন, ‘স্টেডফাস্টের বড় ধরনের ডাটা ফাঁসের সতর্কতা! একজন হ্যাকার নাকি স্টেডফাস্ট কুরিয়ারের সম্পূর্ণ কাস্টমার ডাটাবেস ডার্ক ওয়েবে মাত্র ২ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি করছে। ফাঁস হওয়া তথ্যে যা যা রয়েছে: পূর্ণ নাম, ফোন নম্বর, ডেলিভারি ঠিকানা, প্যাকেজ ট্র্যাকিং আইডি, ক্যাশ অন ডেলিভারির (সিওডি) পরিমাণসহ আরও তথ্য। এটি প্রথম গত ১১ মার্চ প্রকাশ্যে আসে। এখন পর্যন্ত স্টেডফাস্টের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নিশ্চিতকরণ দেওয়া হয়নি। এতে হাজার হাজার মানুষ ঝুঁ
এবার জনপ্রিয় কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান ‘স্টেডফাস্ট কুরিয়ার’র গ্রাহকদের তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ডার্ক ওয়েবে গ্রাহকের পুরো নাম, ফোন নম্বর, পণ্য ডেলিভারির ঠিকানা, প্যাকেজ ট্র্যাকিং আইডি ও ক্যাশ অন ডেলিভারির অঙ্কের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। দুই দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কয়েকটি পোস্টে এমন দাবি করা হয়েছে।
তবে স্টেডফাস্ট বলছে, ডাটা ফাঁস হওয়ার তথ্য এখনো তারা নিশ্চিত হতে পারেনি। কোনো হ্যাকার গ্রুপ এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কাছে কোনো অর্থও দাবি করেনি।
দুই দিন আগে শাওন মীর নামের একজন ফেসবুক পোস্টে একটি স্ক্রিনশট দিয়ে লিখেছেন, ‘স্টেডফাস্টের বড় ধরনের ডাটা ফাঁসের সতর্কতা! একজন হ্যাকার নাকি স্টেডফাস্ট কুরিয়ারের সম্পূর্ণ কাস্টমার ডাটাবেস ডার্ক ওয়েবে মাত্র ২ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি করছে। ফাঁস হওয়া তথ্যে যা যা রয়েছে: পূর্ণ নাম, ফোন নম্বর, ডেলিভারি ঠিকানা, প্যাকেজ ট্র্যাকিং আইডি, ক্যাশ অন ডেলিভারির (সিওডি) পরিমাণসহ আরও তথ্য। এটি প্রথম গত ১১ মার্চ প্রকাশ্যে আসে। এখন পর্যন্ত স্টেডফাস্টের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নিশ্চিতকরণ দেওয়া হয়নি। এতে হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে, যেমন: ভুয়া ডেলিভারি কল ও এসএমএস প্রতারণা, ফিশিং ও ওটিপি জালিয়াতি, পার্সেল রিডাইরেকশন ও লজিস্টিকস প্রতারণা।’
আরও কয়েকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী এমন পোস্ট তথ্যফাঁসের দাবি করেছেন।
জানতে চাইলে রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে স্টেডফাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম রিদওয়ানুল বারী জিয়ন জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রায় ১০ লাখ ডাটা ফাঁসের যে তথ্যটি ছড়িয়েছে, সেটি মিসলিডিং হতে পারে। আমরা নিজেরাও বিভিন্ন স্ক্রিনশট দেখেছি, তবে এখন পর্যন্ত এর সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি এবং আসলে কী ঘটেছে তা যাচাই করার চেষ্টা করছি।’
আরও পড়ুন
স্বপ্নের গ্রাহকদের তথ্য ফাঁস, দেড় মিলিয়ন ডলার দাবি হ্যাকারদের
গ্রাহকদের তথ্য ফাঁস: পদক্ষেপ জানতে স্বপ্নকে আইনি নোটিশ
তিনি বলেন, ‘এটি সরাসরি ডাটা ফাঁস নাও হতে পারে। আগে আমাদের যে পাবলিক ট্র্যাকিং লিংক ছিল, সেখান থেকে কেউ ডাটা স্ক্র্যাপ করে থাকতে পারে। তবে মূল ডাটা যাচাই না করে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা কঠিন।’
হ্যাকারদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অর্থ দাবি করা হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে কোনো হ্যাকার যোগাযোগ করেনি বা কোনো টাকা দাবি করেনি। যোগাযোগ করলে বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে জানা যেতো।’
এর আগে দেশের জনপ্রিয় সুপার শপ ‘স্বপ্ন’র গ্রাহকের তথ্য ফাঁস হয়। ডার্কওয়েব হয়ে ফেসবুক ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এসব তথ্য পাওয়া যায়। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে গ্রাহকের মোবাইল নম্বর, নাম ও কেনাকাটার তথ্য রয়েছে। গত বছরের এপ্রিল ও মে মাসে কেনাকাটার তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।
এদিকে, তথ্য ফাঁসকারী হ্যাকার গ্রুপ এ ঘটনায় স্বপ্নের কাছে ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার দাবি করে। স্বপ্ন এ ঘটনায় মামলার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে গ্রাহকরা এ ঘটনায় স্বপ্নকে দায়ী করে ক্ষতিপূরণ দাবি করছে।
গ্রাহকদের তথ্য ফাঁসের ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে সুপার শপ স্বপ্নকে লিগ্যাল নোটিশও পাঠানো হয়।
ইএইচটি/ইএ
What's Your Reaction?