এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের দাবি ইরানের
ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের রাজধানী এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের দাবি করেছেন ইরানের সেনাবাহিনী।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাতে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আক্রমি-নিয়া বলেন, এ অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটির একটি বড় অংশ এখন আর কার্যকর নয়। তিনি আরও দাবি করেন, এরবিলে অবস্থানরত ইরানি কুর্দিবিরোধী গোষ্ঠীগুলোও আর কোনো ধরনের অভিযান চালাতে সক্ষম নয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকে এরবিলে একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল মার্কিন বাহিনী ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, পাশাপাশি ইরানি কুর্দি বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান। তেহরানের অভিযোগ, এসব গোষ্ঠী কুর্দিস্তান অঞ্চল থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে থাকে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, কুর্দিস্তান অঞ্চলে একটি ইরানি ড্রোন থেকে উদ্ধার করা বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার সময় একজন মার্কিন সেনা নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছেন।
কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগের ধাপে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত
ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের রাজধানী এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের দাবি করেছেন ইরানের সেনাবাহিনী।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাতে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আক্রমি-নিয়া বলেন, এ অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটির একটি বড় অংশ এখন আর কার্যকর নয়। তিনি আরও দাবি করেন, এরবিলে অবস্থানরত ইরানি কুর্দিবিরোধী গোষ্ঠীগুলোও আর কোনো ধরনের অভিযান চালাতে সক্ষম নয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকে এরবিলে একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল মার্কিন বাহিনী ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, পাশাপাশি ইরানি কুর্দি বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান। তেহরানের অভিযোগ, এসব গোষ্ঠী কুর্দিস্তান অঞ্চল থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে থাকে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, কুর্দিস্তান অঞ্চলে একটি ইরানি ড্রোন থেকে উদ্ধার করা বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার সময় একজন মার্কিন সেনা নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছেন।
কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগের ধাপে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত কুর্দিস্তান অঞ্চলে মোট ৮০৯টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৪৭৭টি হামলাই হয়েছে এরবিলে। এসব হামলায় ২০ জন বেসামরিক মানুষ নিহত এবং ১২৩ জন আহত হন।