এলপি গ্যাস সংকটের মূল কারণ জানালো অ্যাসোসিয়েশন
দেশে চলমান এলপি গ্যাস সংকটের মূল সমস্যা হিসেবে তথাকথিত সিন্ডিকেটকে দায়ী করা হলেও, বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন এন্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এই মতকে অস্বীকার করেছে। তাদের মতে, বেসরকারি এলপি গ্যাস খাতে কোনো সিন্ডিকেট নেই এবং এটি শতভাগ আমদানি নির্ভর। তেল সমৃদ্ধ দেশগুলো থেকে এটি আমদানি করতে হয়। বর্তমানে যে বিষয়টি আড়াল করা হচ্ছে তা হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। যদিও এই নিষেধাজ্ঞা সরাসরি বাংলাদেশের ওপর না পড়লেও পরোক্ষভাবে এর প্রভাব পড়েছে। বর্তমানে বিশ্বে পণ্য পরিবহনকারী কন্টেইনার কিংবা কার্গো জাহাজ সহজে পাওয়া গেলেও, এলপি গ্যাস পরিবহনকারী জাহাজের সংখ্যা সীমিত, যা বিভিন্ন দেশ কিংবা কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ।শনিবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে "বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন এন্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন" "এলপিজি সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পরিবহন খাতে" শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জি. মোঃ সিরাজুল মাওলা, সহ-সভাপতি সাঈদা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসিন পারভেজ, যুগ্ম সাধারণ সম
দেশে চলমান এলপি গ্যাস সংকটের মূল সমস্যা হিসেবে তথাকথিত সিন্ডিকেটকে দায়ী করা হলেও, বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন এন্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এই মতকে অস্বীকার করেছে। তাদের মতে, বেসরকারি এলপি গ্যাস খাতে কোনো সিন্ডিকেট নেই এবং এটি শতভাগ আমদানি নির্ভর। তেল সমৃদ্ধ দেশগুলো থেকে এটি আমদানি করতে হয়।
বর্তমানে যে বিষয়টি আড়াল করা হচ্ছে তা হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। যদিও এই নিষেধাজ্ঞা সরাসরি বাংলাদেশের ওপর না পড়লেও পরোক্ষভাবে এর প্রভাব পড়েছে। বর্তমানে বিশ্বে পণ্য পরিবহনকারী কন্টেইনার কিংবা কার্গো জাহাজ সহজে পাওয়া গেলেও, এলপি গ্যাস পরিবহনকারী জাহাজের সংখ্যা সীমিত, যা বিভিন্ন দেশ কিংবা কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে "বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন এন্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন" "এলপিজি সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পরিবহন খাতে" শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জি. মোঃ সিরাজুল মাওলা, সহ-সভাপতি সাঈদা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসিন পারভেজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. মোঃ ইকবাল হোসাইন, যুগ্ম অর্থ সম্পাদক মোঃ মোকবুল হোসেন, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হুমায়ন কবির ভূঁইয়া, মশিউর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন এন্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জি. মোঃ সিরাজুল মাওলা মন্তব্য করেন যে, দেশে চলমান এলপি গ্যাস সংকটের কারণে পরিবহন খাত ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়েছে। এলপিজি অটোগ্যাস একটি পরিবেশবান্ধব, সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী জ্বালানি যা সিএনজি, পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের বিকল্প হিসেবে যানবাহনে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইঞ্জি. মোঃ সিরাজুল মাওলা নিম্নোক্ত দাবিসমূহ জানান:
১) এলপিজি সরবরাহকারী কোম্পানি, অপারেটর এবং এলওএবি-এর প্রতি তাদের আবেদন, তারা যেন যেকোনোভাবেই হোক এলপিজি অটোগ্যাসের চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করেন।
২) বিইআরসি ও অন্যান্য সরকারি কর্তৃপক্ষ যেন এলপিজি আমদানি সংক্রান্ত কোনো জটিলতা থাকলে তা সমাধান করেন এবং অপারেটরের মাধ্যমে অটোগ্যাসের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করেন।
৩) এছাড়াও ভবিষ্যতে যাতে এলপিজি সরবরাহে ব্যাঘাত না হয়, সে বিষয়ে যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। প্রয়োজনে সরকার যেন বিকল্প হিসেবে এলপিজি আমদানির ব্যবস্থা করেন।
সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে সংগঠনের সভাপতি সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবহন ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, ভোক্তা স্বার্থ এবং পরিবেশ রক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এলপি গ্যাস সংকট নিরসন করা না গেলে এর প্রভাব পুরো অর্থনীতি ও জনজীবনে আরও গভীর সংকট সৃষ্টি করবে।
What's Your Reaction?