এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধস
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান যুদ্ধের তীব্রতা চতুর্থ সপ্তাহে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে ব্যাপক দরপতন দেখা যাচ্ছে। সোমবার (২৩ মার্চ) লেনদেন শুরু হতেই এর প্রভাব দেখা যায়। খবর আল জাজিরার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপানের প্রধান সূচক নিক্কেই ২২৫-এর মান ৩ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচকে প্রায় ৫ শতাংশ ধস নেমেছে। মূলত হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকায় এই দুই দেশ জ্বালানি আমদানিতে সবচেয়ে বেশি সংকটের মুখে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই জলপথ খুলে দেওয়ার আলটিমেটাম দিয়ে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর থেকেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরল সতর্ক করেছেন, এই যুদ্ধ বিশ্বকে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এশীয় অঞ্চলের অন্যান্য বাজারেও সোমবার নিম্নমুখী প্রবণতা ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট। হংকংয়ের শেয়ারবাজারে ২ দশমিক ৫ শতাংশ, তাইওয়ানে ২ শতাংশ এবং সাংহাই কম্পোজিট সূচকে ২ দশমিক ৩ শতাংশ দরপতন রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান যুদ্ধের তীব্রতা চতুর্থ সপ্তাহে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে ব্যাপক দরপতন দেখা যাচ্ছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) লেনদেন শুরু হতেই এর প্রভাব দেখা যায়। খবর আল জাজিরার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপানের প্রধান সূচক নিক্কেই ২২৫-এর মান ৩ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচকে প্রায় ৫ শতাংশ ধস নেমেছে। মূলত হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকায় এই দুই দেশ জ্বালানি আমদানিতে সবচেয়ে বেশি সংকটের মুখে পড়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই জলপথ খুলে দেওয়ার আলটিমেটাম দিয়ে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর থেকেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরল সতর্ক করেছেন, এই যুদ্ধ বিশ্বকে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
এশীয় অঞ্চলের অন্যান্য বাজারেও সোমবার নিম্নমুখী প্রবণতা ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট। হংকংয়ের শেয়ারবাজারে ২ দশমিক ৫ শতাংশ, তাইওয়ানে ২ শতাংশ এবং সাংহাই কম্পোজিট সূচকে ২ দশমিক ৩ শতাংশ দরপতন রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের বাজারগুলোতেও ২ শতাংশের বেশি পতন লক্ষ্য করা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি সামরিক উত্তেজনা প্রশমিত না হয় তবে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি শেয়ারবাজারের এই অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
What's Your Reaction?