এসএসসিতে গুরুদাসপুর সেরা সুমাইয়া জাহান

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবাইকে তাক লাগিয়ে উপজেলার সেরা হয়েছেন সুমাইয়া জাহান। সে নাটোরের গুরুদাসপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৭৩ নম্বর পেয়েছে সে। পরীক্ষার আগে যাঁকে নিয়ে তেমন আলোচনা বা প্রত্যাশা ছিল না, সেই সুমাইয়াই শেষ পর্যন্ত উপজেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন। সুমাইয়া ও সজীব চাঁচকৈড় মধ্যমপাড়া (তাড়াশিয়া পাড়া) মহল্লার বাসিন্দা। তাঁদের বাবা জুমির উদ্দিন ঢাকার বেসরকারি চাকরিজীবী এবং মা শাহনাজ পারভীন গৃহিণী। সুমাইয়ার উপজেলা সেরা হওয়ার বিষয়টি তাকে আলাদাভাবে পরিচিতি এনে দিয়েছে। সহপাঠী ও স্থানীয়দের প্রশংসায় ভাসছে সে। তার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও স্বজনদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, আলোচনার চেয়ে ফলাফলই একজন শিক্ষার্থীর প্রকৃত পরিচয়, সুমাইয়া ভালো রেজাল্ট করে তা দেখিয়ে দিয়েছে। সুমাইয়ার যমজ ভাই শাহনেওয়াজ উদ্দিন সজীবও পেয়েছেন জিপিএ-৪.৮৯। দুই সন্তানের এমন সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই খুশি পরিবারের সদস্যরা। সুমাইয়া জাহান জানায়, সে প্রতিদিন ৮-১০ ঘন্টা পড়াশোনা করতো। ভবিষ্যতে সরকারি বড় কর্মকর্তা হতে চায়। নিজের স্বপ

এসএসসিতে গুরুদাসপুর সেরা সুমাইয়া জাহান

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবাইকে তাক লাগিয়ে উপজেলার সেরা হয়েছেন সুমাইয়া জাহান। সে নাটোরের গুরুদাসপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৭৩ নম্বর পেয়েছে সে।

পরীক্ষার আগে যাঁকে নিয়ে তেমন আলোচনা বা প্রত্যাশা ছিল না, সেই সুমাইয়াই শেষ পর্যন্ত উপজেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন। সুমাইয়া ও সজীব চাঁচকৈড় মধ্যমপাড়া (তাড়াশিয়া পাড়া) মহল্লার বাসিন্দা। তাঁদের বাবা জুমির উদ্দিন ঢাকার বেসরকারি চাকরিজীবী এবং মা শাহনাজ পারভীন গৃহিণী। সুমাইয়ার উপজেলা সেরা হওয়ার বিষয়টি তাকে আলাদাভাবে পরিচিতি এনে দিয়েছে।

সহপাঠী ও স্থানীয়দের প্রশংসায় ভাসছে সে। তার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও স্বজনদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, আলোচনার চেয়ে ফলাফলই একজন শিক্ষার্থীর প্রকৃত পরিচয়, সুমাইয়া ভালো রেজাল্ট করে তা দেখিয়ে দিয়েছে। সুমাইয়ার যমজ ভাই শাহনেওয়াজ উদ্দিন সজীবও পেয়েছেন জিপিএ-৪.৮৯। দুই সন্তানের এমন সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই খুশি পরিবারের সদস্যরা।

সুমাইয়া জাহান জানায়, সে প্রতিদিন ৮-১০ ঘন্টা পড়াশোনা করতো। ভবিষ্যতে সরকারি বড় কর্মকর্তা হতে চায়। নিজের স্বপ্ন পূরণের পাশাপাশি পরিবার ও এলাকার জন্য গর্ব বয়ে আনবেন-এমনটাই প্রত্যাশা তার।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow