এসএসসিতে জিপিএ কত পেয়েছিলেন দীঘি ও পূজা?

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে আজ। ফল প্রকাশের এই দিনটি শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন আনন্দ, উত্তেজনা ও প্রত্যাশার, তেমনি একসময় এমন অনুভূতির মধ্য দিয়ে গেছেন দেশের তারকারাও। অভিনয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে তারাও ছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীর মতোই। আরও পড়ুন নেপালে কেন অপু বিশ্বাস, যা জানা গেল পরীক্ষার ফল হাতে পাওয়ার সেই দিনটি কেমন ছিল, কত পেয়েছিলেন- সেসব স্মৃতি জানিয়েছেন অভিনেত্রী দীঘি ও পূজা। ২০১৯ সালে স্ট্যামফোর্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। সেই পরীক্ষায় তিনি পেয়েছিলেন জিপিএ ৩.৬১। নিজের ফল নিয়ে দীঘি বলেন, ‘আমি ৩.৬১ পেয়েছিলাম। এই রেজাল্টেই আমি খুশি। আমার খুব বেশি প্রত্যাশা ছিল না। ধরেই নিয়েছিলাম, রেজাল্ট এমনই হবে। সত্যি বলতে, কোনো প্রত্যাশাই ছিল না। রেজাল্ট যা-ই হোক, এটা আমি পরীক্ষা দিয়ে পেয়েছি। এই ফল নিয়ে আমি খুশি ছিলাম।’ ফল প্রকাশের পর সবার আগে বাবাকে নিজের রেজাল্টের কথা জানিয়েছিলেন দীঘি। বাবা অভিনেতা সুব্রতও মেয়ের ফলাফলে খুশি হয়েছিলেন। দীঘি বলেন, ‘বাবাকে ছাড়া প্রথম কাকে জানাব? বাবাই আমার সব। বাবা খুশি ছিলেন। যেটা হয়ে গেছে,

এসএসসিতে জিপিএ কত পেয়েছিলেন দীঘি ও পূজা?

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে আজ। ফল প্রকাশের এই দিনটি শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন আনন্দ, উত্তেজনা ও প্রত্যাশার, তেমনি একসময় এমন অনুভূতির মধ্য দিয়ে গেছেন দেশের তারকারাও। অভিনয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে তারাও ছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীর মতোই।

পরীক্ষার ফল হাতে পাওয়ার সেই দিনটি কেমন ছিল, কত পেয়েছিলেন- সেসব স্মৃতি জানিয়েছেন অভিনেত্রী দীঘি ও পূজা।

২০১৯ সালে স্ট্যামফোর্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। সেই পরীক্ষায় তিনি পেয়েছিলেন জিপিএ ৩.৬১।

নিজের ফল নিয়ে দীঘি বলেন, ‘আমি ৩.৬১ পেয়েছিলাম। এই রেজাল্টেই আমি খুশি। আমার খুব বেশি প্রত্যাশা ছিল না। ধরেই নিয়েছিলাম, রেজাল্ট এমনই হবে। সত্যি বলতে, কোনো প্রত্যাশাই ছিল না। রেজাল্ট যা-ই হোক, এটা আমি পরীক্ষা দিয়ে পেয়েছি। এই ফল নিয়ে আমি খুশি ছিলাম।’

ফল প্রকাশের পর সবার আগে বাবাকে নিজের রেজাল্টের কথা জানিয়েছিলেন দীঘি। বাবা অভিনেতা সুব্রতও মেয়ের ফলাফলে খুশি হয়েছিলেন।

দীঘি বলেন, ‘বাবাকে ছাড়া প্রথম কাকে জানাব? বাবাই আমার সব। বাবা খুশি ছিলেন। যেটা হয়ে গেছে, সেটা তো আমরা বদলাতে পারব না। তাই এটা নিয়ে আমার মন খারাপের কিছু নেই। অভিনয় আমার মূল জায়গা। তবে পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চাই।’

অন্যদিকে একই বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা পূজা চেরী। বাণিজ্য বিভাগে পরীক্ষা দিয়ে তিনি জিপিএ ৩.৩৩ পেয়েছিলেন।

নিজের ফল নিয়ে পূজা বলেন, ‘স্কুলের নামটা না বলি। বাণিজ্য বিভাগ থেকে এসএসসি পাস করেছি। এই রেজাল্টে আমি খুব খুশি হয়েছিলাম। আমার পরীক্ষার ফলাফলে পরিবারের সবাইও খুশি হয়েছিল।’

পূজা চেরীর বাবা ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী। শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে পা রাখার পর বিজ্ঞাপনেও নজর কাড়েন তিনি। পরবর্তী সময়ে জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত ‘নূর জাহান’, ‘পোড়ামন ২’ ও ‘দহন’ সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান।

পড়াশোনার ব্যাপারেও বাবা-মায়ের প্রত্যাশা ছিল বলে জানান পূজা। তিনি বলেন, ‘বাবা-মা চেয়েছেন, আমি যেন পড়াশোনায় ফাঁকি না দিই। এখনো পর্যন্ত আমাকে নিয়ে তাদের কোনো অভিযোগ নেই। আসলে অভিনয়ের পাশাপাশি গ্র্যাজুয়েশনও সম্পন্ন করতে চাই। সেই প্রচেষ্টায় কোনো ফাঁক রাখতে চাই না।’

 

এমআই/এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow