শেখ হাসিনার মরদেহও দেশের মাটি গ্রহণ করবে না: জবি প্রক্টর

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাস ও এর আশপাশে কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘জগন্নাথবাসী এই নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একজনকেও সহ্য করবে না।’ এ সময় শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ আপনার মরদেহ পর্যন্ত নেবে না। এই দেশের মানুষ শেখ হাসিনার মরদেহও দেশের মাটিতে নেবে না।’ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জাতীয় ছাত্রশক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা তুলে ধরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, ‘বিপ্লব এখনো শেষ হয়নি। সেই স্পিরিট আমাদের ধরে রাখতে হবে।’ তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত কিছু সংগঠন নতুন করে সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজকাল বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলো

শেখ হাসিনার মরদেহও দেশের মাটি গ্রহণ করবে না: জবি প্রক্টর

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাস ও এর আশপাশে কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘জগন্নাথবাসী এই নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একজনকেও সহ্য করবে না।’

এ সময় শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ আপনার মরদেহ পর্যন্ত নেবে না। এই দেশের মানুষ শেখ হাসিনার মরদেহও দেশের মাটিতে নেবে না।’

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জাতীয় ছাত্রশক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা তুলে ধরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, ‘বিপ্লব এখনো শেষ হয়নি। সেই স্পিরিট আমাদের ধরে রাখতে হবে।’

তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত কিছু সংগঠন নতুন করে সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজকাল বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলো মাঝে মাঝে ব্যানার নিয়ে দুই মিনিটের জন্য দাঁড়ায় এবং বলে তাদের আন্দোলন চলমান। আমি বলতে চাই, জগন্নাথের আশপাশে এ ধরনের কিছু হলে একজনও যেতে পারবে না, যতজনই আসুক না কেন।’

প্রক্টর আরও বলেন, যারা এখনো নিষিদ্ধ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন, তাদের উচিত অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া। ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির কোনো অপচেষ্টা জগন্নাথবাসী প্রতিহত করবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগের মধ্যদিয়েই দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তন এসেছে। সেই আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক, এক দফার ঘোষক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমীন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

টিএইচকিউ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow