এসএসসিতে ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা, ফলাফল নিয়ে শঙ্কায় ১২ শিক্ষার্থী
যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থীর ফলাফল ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ঘটনা ঘটে। ওই কক্ষে ২৩ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পরীক্ষা শেষে এক শিক্ষার্থী বুঝতে পারে, সে ২০২৫ সালের পুরোনো সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে, যদিও সে নতুন সিলেবাসের পরীক্ষার্থী। বিষয়টি শিক্ষকদের জানানো হলে আরও ১১ জন শিক্ষার্থী একই ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষার্থীদের দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে বলা হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা দিশেহারা হয়ে পড়ে, অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়ে। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন একই কেন্দ্রের একই কক্ষে কীভাবে একই বিষয়ের দুটি ভিন্ন প্রশ্নপত্র এলো? দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা আগে প্রশ্
যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থীর ফলাফল ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ঘটনা ঘটে। ওই কক্ষে ২৩ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পরীক্ষা শেষে এক শিক্ষার্থী বুঝতে পারে, সে ২০২৫ সালের পুরোনো সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে, যদিও সে নতুন সিলেবাসের পরীক্ষার্থী। বিষয়টি শিক্ষকদের জানানো হলে আরও ১১ জন শিক্ষার্থী একই ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষার্থীদের দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে বলা হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা দিশেহারা হয়ে পড়ে, অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়ে। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন একই কেন্দ্রের একই কক্ষে কীভাবে একই বিষয়ের দুটি ভিন্ন প্রশ্নপত্র এলো? দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা আগে প্রশ্ন যাচাই করেননি কেন? এই ভুলের দায়ভার কে নেবে?
অভিভাবকরাও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন গাফিলতির কারণে তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে হল সুপার সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন বলেন, একই কক্ষে ভিন্ন প্রশ্নপত্র কীভাবে এলো, তা আমরা নিজেরাও বুঝতে পারছি না। বিষয়টি শিক্ষা বোর্ডে জানানো হবে।
শার্শা উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার নুরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মো. জামাল হোসেন/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?