এয়ার টিকিট বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা, বড় ধরনের প্রতারণার আশঙ্কা
দেশের এয়ার টিকিট বিক্রির বাজারে আবারও অসুস্থ প্রতিযোগিতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, যা নতুন করে আর্থিক প্রতারণার শঙ্কা তৈরি করছে। বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, কিছু এয়ার টিকিট এজেন্সি পরিকল্পিতভাবে তাদের নিজস্ব অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অস্বাভাবিক কম দামে টিকিট বিক্রি করছে—যা স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অতীতে আলোচিত টিবিপি, ফ্লাইফার ও ফ্লাইট এক্সপার্টের মতো প্রতিষ্ঠানের ঘটনার পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সে সময় হাজার হাজার গ্রাহক আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছিলেন। অর্থনীতির মৌলিক নীতি এবং আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (IATA) নির্ধারিত বেজ ফেয়ার অনুযায়ী, কমিশন বাদ দেওয়ার পরও কোনো এয়ার টিকিট নির্দিষ্ট দামের নিচে বিক্রি হওয়ার সুযোগ নেই। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কিছু এজেন্সি ধারাবাহিকভাবে লোকসান দিয়ে টিকিট বিক্রি করছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় লোকসান দিয়ে টিকে থাকা কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়। এ ধরনের বিক্রয় কৌশলকে তারা ভবিষ্যতে বাজার থেকে অর্থ তুলে নিয়ে গা-ঢাকা দেওয়ার পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবেই দেখছেন, যা সরাসরি সাধারণ গ্রাহকদের সঙ্গে প
দেশের এয়ার টিকিট বিক্রির বাজারে আবারও অসুস্থ প্রতিযোগিতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, যা নতুন করে আর্থিক প্রতারণার শঙ্কা তৈরি করছে। বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, কিছু এয়ার টিকিট এজেন্সি পরিকল্পিতভাবে তাদের নিজস্ব অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অস্বাভাবিক কম দামে টিকিট বিক্রি করছে—যা স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অতীতে আলোচিত টিবিপি, ফ্লাইফার ও ফ্লাইট এক্সপার্টের মতো প্রতিষ্ঠানের ঘটনার পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সে সময় হাজার হাজার গ্রাহক আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছিলেন।
অর্থনীতির মৌলিক নীতি এবং আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (IATA) নির্ধারিত বেজ ফেয়ার অনুযায়ী, কমিশন বাদ দেওয়ার পরও কোনো এয়ার টিকিট নির্দিষ্ট দামের নিচে বিক্রি হওয়ার সুযোগ নেই। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কিছু এজেন্সি ধারাবাহিকভাবে লোকসান দিয়ে টিকিট বিক্রি করছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় লোকসান দিয়ে টিকে থাকা কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়। এ ধরনের বিক্রয় কৌশলকে তারা ভবিষ্যতে বাজার থেকে অর্থ তুলে নিয়ে গা-ঢাকা দেওয়ার পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবেই দেখছেন, যা সরাসরি সাধারণ গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তরগুলোর নীরবতা এবং দুর্বল মনিটরিং ব্যবস্থাই এই অনিয়মকে উৎসাহিত করছে। কার্যকর নজরদারি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাবে অসাধু ব্যবসায়ীরা একই কৌশলে বারবার বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ যাত্রীদের ওপর।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এয়ার টিকিট বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি ভিত্তিতে একটি সুস্পষ্ট ও কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। কমপক্ষে এবং সর্বোচ্চ কত দামে টিকিট বিক্রি করা যাবে—সে বিষয়ে স্পষ্ট সীমারেখা নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন সব প্ল্যাটফর্মে টিকিটের বিক্রয়মূল্য স্বচ্ছভাবে প্রদর্শন এবং নিয়মিত অডিটের আওতায় আনা জরুরি।
তারা আরও সতর্ক করে বলেন, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এয়ার টিকিট বাজারে আবারও কোনো প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে দায় এড়ানোর সুযোগ থাকবে না কারও জন্যই।
এয়ার টিকিট বাজারে সাধারণ মানুষের আস্থা ও আর্থিক নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট মহলের দায়িত্বশীল ও তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।
What's Your Reaction?