ওপরের মহল মিরপুরে অনুশীলন করতে দেয়নি মাহমুদউল্লাহকে

পাকিস্তানের মাটিতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এখন কেবল ঘরোয়া আর ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলেন তিনি। জাতীয় দলের সাবেক এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের ব্যাটিং পজিশন কখনোই স্থায়ী ছিল না। তবে জাতীয় দলে থাকাকালীন কখনোই এ নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। তবে সম্প্রতি এক পডকাস্টে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। জানিয়েছেন অনুশীলনের সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার ঘটনাও। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর অনুশীলন করতে গিয়েও বাধার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘তখন আমি বিসিবির চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার। একদিন আমি মিরপুরে অনুশীলন করতে যাই। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা ইনডোরের দিকে অনুশীলন করে, আমি একাডেমির দিকে যাই। যাওয়ার পরে আমি বললাম, আমাকে একটা উইকেট দেন, আমি একটু অনুশীলন করবো। তারা বললো, ভাই অনুমতি নাই। আমি বললাম, অনুমতি নাই, এটা তো কোনোদিন হয়নি। তারপর বললো, ওপরের লেভেল থেকে বলা আছে, আপনাকে এখানে অনুশীলনের পারমিশন দেওয়া নাই। তখন আমি মাথা নিচু করে চলে এসেছিলাম। এটা আমি কাউকে বলিনি, এমনকি আমার পরিবারও জানে না।’ সেই পডকাস্টে না বলা আরও ওনেক কথাই বলেছেন মাহমুদউল্লাহ। তিনি বল

ওপরের মহল মিরপুরে অনুশীলন করতে দেয়নি মাহমুদউল্লাহকে

পাকিস্তানের মাটিতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এখন কেবল ঘরোয়া আর ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলেন তিনি। জাতীয় দলের সাবেক এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের ব্যাটিং পজিশন কখনোই স্থায়ী ছিল না। তবে জাতীয় দলে থাকাকালীন কখনোই এ নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। তবে সম্প্রতি এক পডকাস্টে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। জানিয়েছেন অনুশীলনের সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার ঘটনাও।

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর অনুশীলন করতে গিয়েও বাধার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘তখন আমি বিসিবির চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার। একদিন আমি মিরপুরে অনুশীলন করতে যাই। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা ইনডোরের দিকে অনুশীলন করে, আমি একাডেমির দিকে যাই। যাওয়ার পরে আমি বললাম, আমাকে একটা উইকেট দেন, আমি একটু অনুশীলন করবো। তারা বললো, ভাই অনুমতি নাই। আমি বললাম, অনুমতি নাই, এটা তো কোনোদিন হয়নি। তারপর বললো, ওপরের লেভেল থেকে বলা আছে, আপনাকে এখানে অনুশীলনের পারমিশন দেওয়া নাই। তখন আমি মাথা নিচু করে চলে এসেছিলাম। এটা আমি কাউকে বলিনি, এমনকি আমার পরিবারও জানে না।’

সেই পডকাস্টে না বলা আরও ওনেক কথাই বলেছেন মাহমুদউল্লাহ। তিনি বলেন , ‘দুইটি সিরিজ সামনে ছিল — ‘একটি আয়ারল্যান্ড সফর এবং আরেকটি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ। সেসময় আমি তামিমকে অনুরোধ করি সে যেন টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলে। কারণ নির্বাচকরা আমার সঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছিলেন না, কোচও যোগাযোগ করছিলেন না। আগেই বলেছি, তামিমের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো, তাই তাকে বিষয়টি জানাই। ওই বছর আমার হজে যাওয়ার ইচ্ছাও ছিল। আলহামদুলিল্লাহ, শেষ পর্যন্ত হজ করার সুযোগ পেয়েছি। হজের সময়টা পড়েছিল আফগানিস্তান সিরিজের সময়, জুন মাসে। তখন আমি প্রস্তাব দিই — আমি একটি সিরিজ খেলবো, কিন্তু আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজটিতে বিশ্রাম নেবো। আমি বলেছিলাম, যদি নতুন কোনো খেলোয়াড়কে সুযোগ দিতে চান, তাহলে সেই সিরিজে তাদের দেখে নিতে পারেন। বিষয়টিকে আমি ইতিবাচকভাবেই নিয়েছিলাম। তবে মনে মনে বুঝতে পারছিলাম, ভেতরে ভেতরে কিছু একটা পরিবর্তন ঘটছে।’

মাহমুদউল্লাহ কথা বলেছেন সেখানে নিজের ব্যাটিং পজিশন নিয়েও। সরাসরি বললেন নিজের ত্যাগের কথা, ‘দলের ক্ষেত্রে কোনো কিছুতে আমি না বলি না। বছরের পর বছর ব্যাটিং পজিশনে আমি যে পরিমাণ সেক্রিফাইস করেছি এটা আর কেউই করেনি।’

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow