ওমরজাই ঝড়ে জিতল সিলেট, শামীমের বিস্ফোরক ইনিংসেও ঢাকার হাহাকার

শুরুটা মোটেই আশাব্যঞ্জক ছিল না সিলেট টাইটান্সের। ১৪ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে খুব বেশি রান ছিল না, ম্যাচটাও যেন হাত ফসকে যাচ্ছিল। এমন মুহূর্তেই বদলে দিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ২৪ বলে ৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে নিয়ে গেলেন প্রতিযোগিতামূলক সংগ্রহে। শুধু ব্যাট হাতে নয়, বল হাতেও রাখলেন ছাপ—৩ উইকেট নিয়ে শেষ পর্যন্ত সিলেট টাইটানসকে এনে দিলেন ৬ রানের রোমাঞ্চ জয়। সিলেট ২০ ওভারে করে ১৭৩ রান। শেষ ৫ ওভারে আসে ৭৪ রান, যার বড় অংশই ওমরজাইয়ের ব্যাট থেকে। ইনিংসের শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ও সালমান মির্জার ওভারে একের পর এক বাউন্ডারি তুলে নিয়ে ম্যাচটাকে একেবারে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেন আফগান অলরাউন্ডার। তার আগে পারভেজ হোসেনের ৩২ বলে ৪৪ এবং আফিফ হোসেনের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ১৩ রান দলকে ভরসা জোগায়। রান তাড়ায় নেমে ঢাকা ক্যাপিটালস শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে। ৪৩ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে প্রায় ছিটকে পড়ে ম্যাচ থেকে। তবে হাল ছাড়েননি শামীম হোসেন। একপ্রান্ত আগলে রেখে একাই লড়াই চালিয়ে যান। শেষ দিকে যেন একক নাটকীয়তার জন্ম দেন তিনি। ৯ চার ও ৩ ছক্কায় মাত্র ৪৩ বলে তুলে নেন অপরাজিত ৮১ রান। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ২৭ রান, তাতেও শা

ওমরজাই ঝড়ে জিতল সিলেট, শামীমের বিস্ফোরক ইনিংসেও ঢাকার হাহাকার
শুরুটা মোটেই আশাব্যঞ্জক ছিল না সিলেট টাইটান্সের। ১৪ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে খুব বেশি রান ছিল না, ম্যাচটাও যেন হাত ফসকে যাচ্ছিল। এমন মুহূর্তেই বদলে দিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ২৪ বলে ৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে নিয়ে গেলেন প্রতিযোগিতামূলক সংগ্রহে। শুধু ব্যাট হাতে নয়, বল হাতেও রাখলেন ছাপ—৩ উইকেট নিয়ে শেষ পর্যন্ত সিলেট টাইটানসকে এনে দিলেন ৬ রানের রোমাঞ্চ জয়। সিলেট ২০ ওভারে করে ১৭৩ রান। শেষ ৫ ওভারে আসে ৭৪ রান, যার বড় অংশই ওমরজাইয়ের ব্যাট থেকে। ইনিংসের শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ও সালমান মির্জার ওভারে একের পর এক বাউন্ডারি তুলে নিয়ে ম্যাচটাকে একেবারে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেন আফগান অলরাউন্ডার। তার আগে পারভেজ হোসেনের ৩২ বলে ৪৪ এবং আফিফ হোসেনের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ১৩ রান দলকে ভরসা জোগায়। রান তাড়ায় নেমে ঢাকা ক্যাপিটালস শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে। ৪৩ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে প্রায় ছিটকে পড়ে ম্যাচ থেকে। তবে হাল ছাড়েননি শামীম হোসেন। একপ্রান্ত আগলে রেখে একাই লড়াই চালিয়ে যান। শেষ দিকে যেন একক নাটকীয়তার জন্ম দেন তিনি। ৯ চার ও ৩ ছক্কায় মাত্র ৪৩ বলে তুলে নেন অপরাজিত ৮১ রান। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ২৭ রান, তাতেও শামীম লড়াই ধরে রাখেন। ফ্রি-হিটে ছক্কা, বাউন্ডারি—সব মিলিয়ে শেষ বলে এসে দাঁড়ায় ৬ রানের সমীকরণ। কিন্তু সেই শেষটুকু আর রাঙানো হয়নি। ঢাকার ইনিংস ১৬৭ রানে থামলে ৬ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেহেদী হাসান মিরাজের সিলেট টাইটান্স। দারুণ অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে ওমরজাইয়ের হাতে, আর হতাশা থেকে যায় শামীমের ব্যাট হাতে লেখা দুর্দান্ত অথচ অপূর্ণ ইনিংসটিতে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow