ওমান উপসাগরে ইরানি তেলবাহী জাহাজ অচল করল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ওমান উপসাগরে ইরানের পতাকাবাহী একটি তেলবাহী জাহাজ অচল করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বন্দরের ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ অবরোধ ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এমটি হাসনা’ নামের জাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমা দিয়ে ইরানের একটি বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। মার্কিন বাহিনীর দাবি, জাহাজটিকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তা অবরোধ নির্দেশনা অমান্য করে এগিয়ে যেতে থাকে। এরপর মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান জাহাজটির রাডার লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেটি আর এগোতে পারেনি। মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বন্দরে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়া জাহাজের ওপর অবরোধ এখনো পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতিকে ‘অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে’ বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, কৌশলগত এই জলপথে মার্কিন বাহিনী ‘ইস্পাতের দেয়াল’ তৈরি করেছে। গত ৩ মে ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি নৌ অভিযান ঘোষণা করেছিলেন। এর লক্ষ্
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ওমান উপসাগরে ইরানের পতাকাবাহী একটি তেলবাহী জাহাজ অচল করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বন্দরের ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ অবরোধ ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এমটি হাসনা’ নামের জাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমা দিয়ে ইরানের একটি বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। মার্কিন বাহিনীর দাবি, জাহাজটিকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তা অবরোধ নির্দেশনা অমান্য করে এগিয়ে যেতে থাকে।
এরপর মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান জাহাজটির রাডার লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেটি আর এগোতে পারেনি।
মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বন্দরে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়া জাহাজের ওপর অবরোধ এখনো পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতিকে ‘অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে’ বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, কৌশলগত এই জলপথে মার্কিন বাহিনী ‘ইস্পাতের দেয়াল’ তৈরি করেছে।
গত ৩ মে ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি নৌ অভিযান ঘোষণা করেছিলেন। এর লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা জাহাজগুলোকে নিরাপদে চলাচলে সহায়তা করা। তবে পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধ এবং ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়ার পর দুই দিনের মধ্যেই অভিযানটি স্থগিত করা হয়।
পরে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ শাখা দাবি করে, ‘আগ্রাসী শক্তির হুমকি’ সরে যাওয়ার পরই হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল সম্ভব হয়েছে।
What's Your Reaction?