ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সিইওর পদত্যাগ

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও বোর্জ ব্রেন্ডে পদত্যাগ করেছেন। মার্কিন বিচার বিভাগ এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের পর ব্রেন্ডের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ক খতিয়ে দেখতে ডব্লিউইএফ একটি স্বাধীন তদন্তের নির্দেশ দেয়। এরপর তার পদত্যাগের খবর সামনে এসেছে।  বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  ব্রেন্ডে জানান, ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে তিনি তিনবার এপস্টেইনের সঙ্গে নৈশভোজে মিলিত হন এবং ইমেল ও বার্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করেছিলেন। তবে তিনি দাবি করেন, এপস্টেইনের অতীত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ অজ্ঞাত ছিলেন। ডব্লিউইএফ জানায়, পর্যালোচনায় পূর্বে প্রকাশিত তথ্যের বাইরে নতুন কোনও উদ্বেগের বিষয় পাওয়া যায়নি। তবুও বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ব্রেন্ডে জানান, সতর্ক বিবেচনার পর আট বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালনের পর তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেন কোনও বিভ্রান্তি ছাড়াই এগিয়ে যেতে পারে, এখনই সেই উপযুক্ত সময়। এপস্টেইন ২০০৮ সালে এক অপ্রাপ্তবয়স্কের কাছ থেকে যৌন সেবা গ্রহণের অভিযোগে দ

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সিইওর পদত্যাগ

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও বোর্জ ব্রেন্ডে পদত্যাগ করেছেন। মার্কিন বিচার বিভাগ এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের পর ব্রেন্ডের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ক খতিয়ে দেখতে ডব্লিউইএফ একটি স্বাধীন তদন্তের নির্দেশ দেয়। এরপর তার পদত্যাগের খবর সামনে এসেছে। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

ব্রেন্ডে জানান, ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে তিনি তিনবার এপস্টেইনের সঙ্গে নৈশভোজে মিলিত হন এবং ইমেল ও বার্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করেছিলেন। তবে তিনি দাবি করেন, এপস্টেইনের অতীত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ অজ্ঞাত ছিলেন।

ডব্লিউইএফ জানায়, পর্যালোচনায় পূর্বে প্রকাশিত তথ্যের বাইরে নতুন কোনও উদ্বেগের বিষয় পাওয়া যায়নি। তবুও বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ব্রেন্ডে জানান, সতর্ক বিবেচনার পর আট বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালনের পর তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেন কোনও বিভ্রান্তি ছাড়াই এগিয়ে যেতে পারে, এখনই সেই উপযুক্ত সময়।

এপস্টেইন ২০০৮ সালে এক অপ্রাপ্তবয়স্কের কাছ থেকে যৌন সেবা গ্রহণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন এবং যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত হন। ২০১৯ সালে যৌন পাচারের অভিযোগে বিচারাধীন অবস্থায় তিনি কারাগারে মারা যান। 

বিবিসি জানিয়েছে, এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথিতে কারও নাম থাকা মানেই অপরাধে জড়িত থাকা নয় এবং ব্রেন্দের বিরুদ্ধেও কোনও অপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি।

ডব্লিউইএফ জানিয়েছে, স্থায়ী উত্তরসূরি নিয়োগের প্রক্রিয়া চলাকালীন  এলোইস জিঙ্গি অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি আগে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow