ককরোচ জনতা পার্টির ‘জেন-জি’ বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, নিরাপত্তা জোরদার

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সীমান্ত প্রবেশপথ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নয়াদিল্লি ও অন্যান্য কৌশলগত এলাকায় এক হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। বিক্ষোভের আগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) অংশগ্রহণকারীদের জন্য কিছু নির্দেশনা দেয়। শান্তিপূর্ণ আচরণ বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের সংঘাতে না জড়ানোর আহ্বান জানায় তারা। এছাড়াও বিক্ষোভ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে জানান, বিমান থেকে অবতরণের ঠিক আগে তিনি যেন নিজের স্বাধীনতার শেষ মুহূর্তগুলো পার করছেন। তিনি বলেন, ‘এই উদ্দেশ্যের জন্য আমি আমার স্বাধীনতা উৎসর্গ করতেও পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল

ককরোচ জনতা পার্টির ‘জেন-জি’ বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, নিরাপত্তা জোরদার

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সীমান্ত প্রবেশপথ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নয়াদিল্লি ও অন্যান্য কৌশলগত এলাকায় এক হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

বিক্ষোভের আগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) অংশগ্রহণকারীদের জন্য কিছু নির্দেশনা দেয়। শান্তিপূর্ণ আচরণ বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের সংঘাতে না জড়ানোর আহ্বান জানায় তারা। এছাড়াও বিক্ষোভ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে জানান, বিমান থেকে অবতরণের ঠিক আগে তিনি যেন নিজের স্বাধীনতার শেষ মুহূর্তগুলো পার করছেন। তিনি বলেন, ‘এই উদ্দেশ্যের জন্য আমি আমার স্বাধীনতা উৎসর্গ করতেও পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম।’

অভিজিৎ দাবি করেন, কারাবাসের ভয়ে অনেক মানুষ আপস করেছেন এবং নিজেদের ‘বিকিয়ে দিয়েছেন’। তিনি বলেন, ‘কিন্তু এই দেশের ছাত্র-যুবসমাজ নিজেদের বিকিয়ে দেয়নি।’ এ সময় উপস্থিত জনতা করতালির মাধ্যমে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানায়।

বিক্ষোভে শত শত মানুষ অংশ নেন, যাদের বেশিরভাগই তরুণ। অংশগ্রহণকারীদের অনেককে তেলাপোকার মুখোশ পরা এবং হাতে ফুল বহন করতে দেখা যায়। অভিভাবকদের সঙ্গে কয়েকজন স্কুলশিক্ষার্থীও বিক্ষোভে যোগ দেয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow