কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পুণ্যার্থীদের ভিড়
কক্সবাজারে সমুদ্রসৈকতে সনাতন সম্প্রদায়ের মহা বারুনী স্নান ও শ্রী শ্রী গঙ্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে কবিতা চত্বরে অদ্বৈত-অচ্যুত মিশন বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।
লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, বিএনপি সরকারের কোনো আমলেই সাম্প্রদায়িক হামলা হয়নি। বিএনপি সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। তিনি আরও বলেন, কোনো ধর্মই বিদ্বেষ ছড়ায় না, সব ধর্মেই শান্তির কথা বলা আছে। কিন্তু, কিছু কিছু ব্যক্তি মানুষের মধ্যে ঘৃণা ছড়ায়, যা একটি গর্হিত কাজ। সামনে নতুন বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষকে একসাথে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ধর্মীয় গুরু শ্রীমৎ স্বামী দেবদীপানন্দ পুরী মহারাজ। এদিকে মঙ্গলবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সমুদ্রসৈকতের কবিতা চত্বর পয়েন্টে মহা বারুনী স্নানে অংশ নিতে দেখা যায় লাখো পুণ্যার্থীদের। সকাল থেকে এ আয়োজনকে ঘিরে সৈকতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কক্সবাজারের হিন্দু সম্প্রদায় ছাড়াও জেলার বাইরে থেকেও অসংখ্য পুণ্যার্থী এখানে এসে বা
কক্সবাজারে সমুদ্রসৈকতে সনাতন সম্প্রদায়ের মহা বারুনী স্নান ও শ্রী শ্রী গঙ্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে কবিতা চত্বরে অদ্বৈত-অচ্যুত মিশন বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।
লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, বিএনপি সরকারের কোনো আমলেই সাম্প্রদায়িক হামলা হয়নি। বিএনপি সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। তিনি আরও বলেন, কোনো ধর্মই বিদ্বেষ ছড়ায় না, সব ধর্মেই শান্তির কথা বলা আছে। কিন্তু, কিছু কিছু ব্যক্তি মানুষের মধ্যে ঘৃণা ছড়ায়, যা একটি গর্হিত কাজ। সামনে নতুন বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষকে একসাথে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ধর্মীয় গুরু শ্রীমৎ স্বামী দেবদীপানন্দ পুরী মহারাজ। এদিকে মঙ্গলবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সমুদ্রসৈকতের কবিতা চত্বর পয়েন্টে মহা বারুনী স্নানে অংশ নিতে দেখা যায় লাখো পুণ্যার্থীদের। সকাল থেকে এ আয়োজনকে ঘিরে সৈকতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কক্সবাজারের হিন্দু সম্প্রদায় ছাড়াও জেলার বাইরে থেকেও অসংখ্য পুণ্যার্থী এখানে এসে বারুণী স্নানে অংশ নেন।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা চৈত্র মাসের কৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথীতে পালন করে থাকেন এ বারুণী উৎসব ও বারুণী স্নান। তাদের মতে, ভক্তি নিবেদন করে পাপ মুক্তির আশায় সমুদ্রের পানিতে নেমে স্নান করেন তারা।
এ ছাড়া গঙ্গা পূজা, গুরু পূজা, মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন, ভজন কীর্তন, পূর্ব-পুরুষের আত্মার শান্তি কামনায় তর্পণসহ নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এ সময়।