কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চুনতিতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুদিনে ১৫ জন নিহতের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে ত্রুটিপূর্ণ ও রুট পারমিটবিহীন বাসসহ সব ধরনের অবৈধ যান এবং লাইসেন্সবিহীন চালকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এসব অভিযান পরিচালনা করছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, ট্রাফিক পুলিশ ও বিআরটিএ।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত অবৈধ যানবাহন, লাইসেন্সবিহীন ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালক, অবৈধ পার্কিংসহ আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ১৪ মামলায় দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে বেশ কিছু গাড়িও জব্দ করা হয়। কক্সবাজার পর্যটন জোনের কলাতলি, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও রামু বাইপাস ফুটবল চত্বর এলাকায় চালানো হয় এ অভিযান।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ইমরান হোসাইন সজীব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এফএম খাইরুল হক, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) জসিম উদ্দিন চৌধুরী, কক্সবাজার বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক (এডি) উথায়নু চৌধুরী ও মেকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট মো. ইউছুপ এ অভিযানে অংশ নেন।
কক্সবাজার নাগরিক ফোরামের সভাপতি আ ন ম হেলাল উদ্দিন বলেন, সড়কে অহরহ দুর্ঘটনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু হলেও ঝুঁকিমুক্ত সড়ক বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মহলগুলোর তৎপরতা দৃশ্যমান নয়। সড়ক দুর্ঘটনার জন্য ওভারটেকিং, ত্রুটিপূর্ণ ও অবৈধ যানবাহন এবং অদক্ষ ও লাইসেন্সহীন চালক অধিকাংশ ক্ষেত্রে দায়ী।
কক্সবাজার বিআরটিএ কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক উথেয়েনু চৌধুরী বলেন, ফিটনেসবিহীন মোটরযান ও ড্রাইভিং লাইসেন্সহীন মোটরসাইকেল সড়ক-মহাসড়কে চলাচল, মোটরযানের অতিরিক্ত গতি এবং মালবাহী গাড়িতে যাত্রী বহন ইত্যাদি অনিয়মের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে। নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অনিয়ম বন্ধ করে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
এডিএম ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা অভিযানে ১৪টি মামলায় দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি অর্ধশত চালককে সতর্ক করা হয়েছে।
সায়ীদ আলমগীর/জেডএইচ/জেআইএম