কক্সবাজারে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

কক্সবাজারের ঈদগাঁওর পোকখালীতে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে পড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব নাইক্ষংদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া মুনতাহা তসলিমা (৮) ঈদগাঁওর পোকখালী ইউনিয়নের পূর্ব নাইক্ষংদিয়া এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম ও মোস্তফা খাতুন দম্পতির মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্ব নাইক্ষংদিয়া এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাশে খেলছিল মুনতাহা। এ সময় অসাবধানতাবশত ভবনের সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে পড়ে যায় সে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া আগেই ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকটি নিরাপত্তাবেষ্টনী ছাড়াই খোলা অবস্থায় রাখা ছিল। যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হয়েছে। ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম শিফাতুল মজুমদার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষে অপমৃত্যু হিসেবে মেনে নিয়ে কোন অভিযোগ না করায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারে হস্তান্তর করা হয়েছে। সায়ীদ আলমগীর/এনএইচআর/জেআইএম

কক্সবাজারে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

কক্সবাজারের ঈদগাঁওর পোকখালীতে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে পড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব নাইক্ষংদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া মুনতাহা তসলিমা (৮) ঈদগাঁওর পোকখালী ইউনিয়নের পূর্ব নাইক্ষংদিয়া এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম ও মোস্তফা খাতুন দম্পতির মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্ব নাইক্ষংদিয়া এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাশে খেলছিল মুনতাহা। এ সময় অসাবধানতাবশত ভবনের সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে পড়ে যায় সে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া আগেই ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকটি নিরাপত্তাবেষ্টনী ছাড়াই খোলা অবস্থায় রাখা ছিল। যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হয়েছে।

ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম শিফাতুল মজুমদার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষে অপমৃত্যু হিসেবে মেনে নিয়ে কোন অভিযোগ না করায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সায়ীদ আলমগীর/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow