কক্সবাজারে ফের পাহাড়ধস, স্ত্রীর মৃত্যু স্বামী হাসপাতালে

কক্সবাজারে ভারী বর্ষণে আবারও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার স্বামী। এ ঘটনায় আরও অনেকে মাটিচাপায় হতাহত হতে পারেন আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের দরিয়ানগর বড়ছড়া হাজীঘোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত লিমা আক্তার (২৫) ঝিলংজা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দরিয়ানগর বড়ছড়া হাজীঘোনা এলাকার জসিম উদ্দিনের স্ত্রী। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্বামী-স্ত্রী দুজনই কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ফিশ ফ্রাই বিক্রি করে সংসার চালাতেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, টানা বৃষ্টির মাঝে পাহাড়ের একটি অংশ হঠাৎ ধসে পাশের বসতবাড়ির ওপর পড়ে। এতে লিমা ও তার স্বামী জসিম মাটিচাপা পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক লিমাকে মৃত ঘোষণা করেন। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, অন্য

কক্সবাজারে ফের পাহাড়ধস, স্ত্রীর মৃত্যু স্বামী হাসপাতালে

কক্সবাজারে ভারী বর্ষণে আবারও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার স্বামী। এ ঘটনায় আরও অনেকে মাটিচাপায় হতাহত হতে পারেন আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের দরিয়ানগর বড়ছড়া হাজীঘোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত লিমা আক্তার (২৫) ঝিলংজা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দরিয়ানগর বড়ছড়া হাজীঘোনা এলাকার জসিম উদ্দিনের স্ত্রী। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্বামী-স্ত্রী দুজনই কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ফিশ ফ্রাই বিক্রি করে সংসার চালাতেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, টানা বৃষ্টির মাঝে পাহাড়ের একটি অংশ হঠাৎ ধসে পাশের বসতবাড়ির ওপর পড়ে। এতে লিমা ও তার স্বামী জসিম মাটিচাপা পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক লিমাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, অন্য কোথাও কেউ আটকে পড়েছেন কি-না তা জানতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু আর কোনো হতাহত পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে সদরের ইউএনও গিয়ে ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে অন্যত্র সরিয়ে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলার ইউএনও তাহমিনা আক্তার বলেন, ‌টানা ভারী বর্ষণে বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি প্রবল। দরিয়ানগরে পাহাড়ধসে স্বামী-স্ত্রী হতাহত হয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে আহ্বান জানিয়ে মাইকিং করা হয়েছে। যারা বেশি ঝুঁকিতে ছিলেন তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow