কক্সবাজারের চার আসনে প্রতীক পেলেন ১৮ প্রার্থী
কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে মোট ১৮ জন প্রার্থীকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ১৭ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হওয়ায় তারা নিজ নিজ দলীয় প্রতীক পেয়েছেন। অপর একজন প্রার্থী আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতীক বরাদ্দ পান। বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আ. মান্নান আনুষ্ঠানিকভাবে এসব প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন। কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া) এই আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুখ পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক। কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) এই আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ পেয়েছেন ধানের শীষ। জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জিয়াউল হক পেয়েছেন হাতপাখ
কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে মোট ১৮ জন প্রার্থীকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ১৭ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হওয়ায় তারা নিজ নিজ দলীয় প্রতীক পেয়েছেন। অপর একজন প্রার্থী আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতীক বরাদ্দ পান।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আ. মান্নান আনুষ্ঠানিকভাবে এসব প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন।
কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া) এই আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুখ পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক।
কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) এই আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ পেয়েছেন ধানের শীষ। জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জিয়াউল হক পেয়েছেন হাতপাখা। গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী এস এম রোকনুজ্জামান খান পেয়েছেন ট্রাক প্রতীক। জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহমুদুল করিম পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক।
কক্সবাজার–৩ (কক্সবাজার সদর–রামু–ঈদগাঁও) এই আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ধানের শীষ। জামায়াতের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম পেয়েছেন হাতপাখা। লেবার পার্টির প্রার্থী জগদীশ বড়ুয়া পেয়েছেন আনারস। আমজনতা দলের প্রার্থী নুরুল আবছার পেয়েছেন প্রজাপতি প্রতীক।
এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মিয়ার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে বাতিল করা হলেও পরে হাইকোর্টের আদেশে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান। বুধবার সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আদেশ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছালে তাঁকে ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কক্সবাজার–৪ (উখিয়া–টেকনাফ) এই আসনে চারজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ধানের শীষ। জামায়াতের প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নুরুল হক পেয়েছেন হাতপাখা। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)–এর প্রার্থী সাইফুদ্দিন খালেদ পেয়েছেন সিংহ প্রতীক।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন। প্রচারণা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
What's Your Reaction?