কথায় কথায় মিথ্যা মামলার অভিযোগ, গ্রামবাসীর মানববন্ধন
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কথায় কথায় মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ দিয়ে মানুষকে হয়রানির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় গ্রামবাসী। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ সময় তারা অভিযুক্ত আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। আবুল কাশেম স্থানীয় মৃত নজির আহমদের ছেলে। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মাহবুব আলম, মঞ্জুর আলম, জালাল উদ্দীন ও মো. জুয়েল। পরে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের সাবেক উপ-পরিচালক নবিদুর রহমান এবং চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা শাহাব উল্লাহ বাহারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বক্তারা অভিযোগ করেন, মতবিরোধ বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেম দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও থানায় ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করে আসছেন। তাদের দাবি, যৌবনকাল থেকেই তিনি এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। বক্তারা আরও বলেন, ১৯৮৫ সালে মদন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলায় আসামি করে গ্রেপ্তার করানো হয় এ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কথায় কথায় মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ দিয়ে মানুষকে হয়রানির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় গ্রামবাসী।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ সময় তারা অভিযুক্ত আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। আবুল কাশেম স্থানীয় মৃত নজির আহমদের ছেলে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মাহবুব আলম, মঞ্জুর আলম, জালাল উদ্দীন ও মো. জুয়েল। পরে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের সাবেক উপ-পরিচালক নবিদুর রহমান এবং চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা শাহাব উল্লাহ বাহারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মতবিরোধ বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেম দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও থানায় ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করে আসছেন। তাদের দাবি, যৌবনকাল থেকেই তিনি এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
বক্তারা আরও বলেন, ১৯৮৫ সালে মদন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলায় আসামি করে গ্রেপ্তার করানো হয় এবং পুলিশি নির্যাতনের শিকার হতে হয়। ওই ঘটনার পর প্রাণনাশের আশঙ্কায় আবুল কাশেম সৌদি আরবে চলে যান। প্রায় আট বছর আগে দেশে ফিরে আসার পর থেকে তিনি অন্তত অর্ধশত ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলা ও অভিযোগে হয়রানি করেছেন বলে দাবি করেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা। তাদের মধ্যে চার প্রবাসী রয়েছেন, যারা দেশে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে প্রবাসী জুয়েল ও জালালের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও মারধরের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন আবুল কাশেম। এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রূপক ঘোষ বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে আবুল কাশেমকে সঙ্গে নিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের বিন্দুমাত্র সত্যতা পাওয়া যায়নি।’
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আবুল কাশেমের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ‘ভুল নম্বরে কল করেছেন’ বলে ফোন কেটে দেন।
What's Your Reaction?