কনটেন্ট গাইডলাইনে বড় পরিবর্তন আনছে মেটা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিও ও কপি-পেস্ট কনটেন্টরোধে কনটেন্ট গাইডলাইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে মেটা। একই সঙ্গে ফেসবুকে ফেক বা কপি করা ভিডিও রিপোর্ট করার প্রক্রিয়াও আরও সহজ করা হচ্ছে। সোমবার (২৩ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেটার নতুন ব্যবস্থায় একটি সেন্ট্রালাইজড ড্যাশবোর্ড থেকে ব্যবহারকারীরা সহজেই রিপাবলিশ হওয়া ভিডিও ফ্ল্যাগ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবেন। এসব রিপোর্টের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ভিডিওর ‘রিচ’ বা প্রচার সীমিত করা হতে পারে বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, ‘অরিজিনাল ভিডিও’ কী, তার সংজ্ঞাও নতুন করে নির্ধারণ করছে ফেসবুক। এখন থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নিজস্বভাবে তৈরি ভিডিও অথবা অন্য ভিডিও ব্যবহার করে সম্পাদনার মাধ্যমে নতুন কোনো বিষয় উপস্থাপন না করলে সেটিকে আর ‘অরিজিনাল’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। ফলে এমন কনটেন্টের রিচ কমে যেতে পারে। এতে আগের মতো সহজে ভিউ, লাইক ও কমেন্ট পাওয়া কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডিপফেক ও এআই-নির্ভর কনটেন্ট শনাক্ত করতে নতুন নতুন টুলও যুক্ত করা হচ্ছে, যা

কনটেন্ট গাইডলাইনে বড় পরিবর্তন আনছে মেটা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিও ও কপি-পেস্ট কনটেন্টরোধে কনটেন্ট গাইডলাইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে মেটা। একই সঙ্গে ফেসবুকে ফেক বা কপি করা ভিডিও রিপোর্ট করার প্রক্রিয়াও আরও সহজ করা হচ্ছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেটার নতুন ব্যবস্থায় একটি সেন্ট্রালাইজড ড্যাশবোর্ড থেকে ব্যবহারকারীরা সহজেই রিপাবলিশ হওয়া ভিডিও ফ্ল্যাগ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবেন। এসব রিপোর্টের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ভিডিওর ‘রিচ’ বা প্রচার সীমিত করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

শুধু তাই নয়, ‘অরিজিনাল ভিডিও’ কী, তার সংজ্ঞাও নতুন করে নির্ধারণ করছে ফেসবুক। এখন থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নিজস্বভাবে তৈরি ভিডিও অথবা অন্য ভিডিও ব্যবহার করে সম্পাদনার মাধ্যমে নতুন কোনো বিষয় উপস্থাপন না করলে সেটিকে আর ‘অরিজিনাল’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। ফলে এমন কনটেন্টের রিচ কমে যেতে পারে।

এতে আগের মতো সহজে ভিউ, লাইক ও কমেন্ট পাওয়া কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডিপফেক ও এআই-নির্ভর কনটেন্ট শনাক্ত করতে নতুন নতুন টুলও যুক্ত করা হচ্ছে, যা শুধু ফেসবুক নয়, অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিবর্তনের ফলে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। এতদিন অনেকেই অন্যের ভিডিও কপি করে বা সামান্য পরিবর্তন করে সহজেই ভিউ বাড়াতেন। কিন্তু নতুন নিয়ম চালু হলে সেই সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে যাবে। ফলে ক্রিয়েটরদের মৌলিক ও মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য ছড়ানো কমাতে সহায়ক হবে এবং প্রকৃত ক্রিয়েটররা বেশি গুরুত্ব পাবেন। তবে একই সঙ্গে আশঙ্কা রয়েছে, অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের কারণে ছোট কনটেন্ট নির্মাতাদের রিচ কমে যেতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow