কফিন বন্দি হয়ে দেশে ফিরলেন ইরানের হামলায় নিহত আহমেদ আলী

মৌলভীবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের ড্রোন হামলায় নিহত সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমেদ আলীর মরদেহ দেশের বাড়ীতে পৌঁছেছে। সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে তার নিজ বাড়ী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার খাছিটেকা গ্রামে এসে পৌঁছায়। এসময় আহমেদ আলীর স্বজন ও প্রতিবেশীদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে উঠে। বিকেল পাঁচটায় জানাজা শেষে বাড়ীর পাশে কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১১টার দিকে আহমেদ আলীর মরদেহ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বিমানবন্দরে আলীর মরদেহের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে মন্ত্রী নিজেই মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখাস্থ বাড়িতে মরদেহ নিয়ে পৌঁছান। এসময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, আহমেদ আলী গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকায়। দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে তিনি প্রবাসে চাকুরী করেছেন। সবশেষ তিন মাস পূর্বে তিনি শেষ বারের মত বাড়ী এসেছিলেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আরব আমিরাতের

কফিন বন্দি হয়ে দেশে ফিরলেন ইরানের হামলায় নিহত আহমেদ আলী

মৌলভীবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের ড্রোন হামলায় নিহত সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমেদ আলীর মরদেহ দেশের বাড়ীতে পৌঁছেছে।

সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে তার নিজ বাড়ী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার খাছিটেকা গ্রামে এসে পৌঁছায়। এসময় আহমেদ আলীর স্বজন ও প্রতিবেশীদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে উঠে। বিকেল পাঁচটায় জানাজা শেষে বাড়ীর পাশে কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১১টার দিকে আহমেদ আলীর মরদেহ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বিমানবন্দরে আলীর মরদেহের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে মন্ত্রী নিজেই মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখাস্থ বাড়িতে মরদেহ নিয়ে পৌঁছান। এসময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, আহমেদ আলী গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকায়। দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে তিনি প্রবাসে চাকুরী করেছেন। সবশেষ তিন মাস পূর্বে তিনি শেষ বারের মত বাড়ী এসেছিলেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আরব আমিরাতের আজমান শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন তিনি। সেখানে তিনি পানি সরবরাহের গাড়ি চালাতেন। তার ছোট দুই ভাই জাকির হোসেন ও বোরহান আহমদও একই শহরে থাকেন এবং তারাই পরিবারের কাছে মৃত্যুর খবর জানান।

তাঁর মৃত্যুর খবর দেশে থাকা পরিবারের সদস্যরা জানার পর পুরো পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। এছাড়া মৃত্যুর খবর শুনে বাড়িতে ভীড় করেন স্বজন সহ প্রতিবেশিরা। স্বান্তনা দিতে আসছেন আশেপাশের এলাকার নারীরাও। তার মেঝো ছেলে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত। প্রতিমাসে তার চিকিৎসায় খরচ হয় আঠারো হাজার টাকা। শোকে স্তব্দ পরিবারের সদস্যরা কথা বলতে পারছেন না। সংসার কিভাবে চলবে, কিভাবে চিকিৎসার খরচ যোগার হবে এ নিয়ে শঙ্কায় স্থানীয়রা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow