‘কবর যত পুরাতন হবে, জিয়ারত তত কমবে’: কুদ্দুস বয়াতী

জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব ও মৃত্যুর পর মানুষের বিস্মৃত হওয়ার বাস্তবতা নিয়ে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতী। আজ (৬ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে তার দেওয়া এ স্ট্যাটাসটি অনুরাগীদের দৃষ্টি কেড়েছে। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কুদ্দুস বয়াতী লিখেছেন, ‘কবর যত পুরাতন হবে, প্রিয় স্বজনরা জিয়ারত তত কমিয়ে দেবে, এমন একটা সময় আসবে যে পৃথিবীতে আপনি নামে একজন ছিলেন কেউ জানবেই না।’ এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর বার্তায় তিনি জীবনের বাস্তবতা ও মানব সম্পর্কের পরিবর্তনশীল দিক তুলে ধরেছেন। তার এমন উপলব্ধিমূলক কথায় অনেকেই নিজেদের জীবনের বাস্তবতা খুঁজে পেয়েছেন বলে মন্তব্য করছেন। স্ট্যাটাসটি প্রকাশের পর ভক্ত-অনুরাগীরা বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। কেউ বলছেন, এটি জীবনের কঠিন সত্য, আবার কেউ মনে করছেন-এ ধরনের ভাবনা মানুষকে আরও সচেতন ও মানবিক হতে শেখায়। লোকসংগীতের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনের গল্প তুলে ধরার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত কুদ্দুস বয়াতী। তার গানে যেমন গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি উঠে আসে, তেমনি বাস্তব জীবনের নানা দর্শনও প্রতিফলিত হয়। তার সাম্প্রতিক এই স্ট্যাটাস যে

‘কবর যত পুরাতন হবে, জিয়ারত তত কমবে’: কুদ্দুস বয়াতী

জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব ও মৃত্যুর পর মানুষের বিস্মৃত হওয়ার বাস্তবতা নিয়ে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতী। আজ (৬ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে তার দেওয়া এ স্ট্যাটাসটি অনুরাগীদের দৃষ্টি কেড়েছে।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কুদ্দুস বয়াতী লিখেছেন, ‘কবর যত পুরাতন হবে, প্রিয় স্বজনরা জিয়ারত তত কমিয়ে দেবে, এমন একটা সময় আসবে যে পৃথিবীতে আপনি নামে একজন ছিলেন কেউ জানবেই না।’

এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর বার্তায় তিনি জীবনের বাস্তবতা ও মানব সম্পর্কের পরিবর্তনশীল দিক তুলে ধরেছেন। তার এমন উপলব্ধিমূলক কথায় অনেকেই নিজেদের জীবনের বাস্তবতা খুঁজে পেয়েছেন বলে মন্তব্য করছেন।

স্ট্যাটাসটি প্রকাশের পর ভক্ত-অনুরাগীরা বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। কেউ বলছেন, এটি জীবনের কঠিন সত্য, আবার কেউ মনে করছেন-এ ধরনের ভাবনা মানুষকে আরও সচেতন ও মানবিক হতে শেখায়।

লোকসংগীতের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনের গল্প তুলে ধরার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত কুদ্দুস বয়াতী। তার গানে যেমন গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি উঠে আসে, তেমনি বাস্তব জীবনের নানা দর্শনও প্রতিফলিত হয়। তার সাম্প্রতিক এই স্ট্যাটাস যেন সেই ধারারই একটি প্রতিফলন।

আরও পড়ুন:
ভিডিও বানিয়ে কত টাকা আয় করেন কুদ্দুস বয়াতি 
যারা বাঁশ দিয়েছ এবং নিয়েছ সবাইকে শুভেচ্ছা : কুদ্দুস বয়াতি 

কুদ্দুস বয়াতী শৈশব থেকেই গান-বাজনার অনুরাগী। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মহুয়া, মলুয়া, দেওয়ান বাদশা, কাঞ্চন বাদশা, হাতেমতাইসহ অনেক ধরনের পালাগানের আসর মাতান। তবে ১৯৯২ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘এই দিন দিন না আরও দিন আছে’ শিরোনামে গানের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান কুদ্দুস বয়াতি। বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রচারণার অংশ হিসেবে গানটি গেয়েছিলেন তিনি।

এরপর আর পিছে তাকাতে হয়নি কুদ্দুস বয়াতিকে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময়ও দেশবাসীকে সচেতন করতে কাজ করেছেন তিনি। ‘জাইনা চলেন, মাইনা চলেন’ শিরোনামে গানের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করতে কাজ করছেন এ লোকসংগীতশিল্পী। তিনি বিশ্বের অনেক দেশে গান গেয়ে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মন জয় করেছেন।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow