কমতে শুরু করেছে তেলের দাম

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানিয়ে ১০ দিনের জন্য হামলা স্থগিত করেন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শুক্রবারের শুরুর লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ সেন্ট বা ০.৮% কমে ১০৭.১১ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দাম ৮৩ সেন্ট বা ০.৮৮% কমে দাঁড়ায় ৯৩.৬৫ ডলারে। এর আগে বৃহস্পতিবার সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগে তেলের দাম বেড়েছিল—ব্রেন্ট ৫.৭% এবং WTI ৪.৬% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে সপ্তাহ শেষে বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত দ্রুত শেষ হতে পারে—এমন প্রত্যাশা থেকেই বাজারে চাপ কমেছে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, আলোচনা “খুব ভালোভাবে এগোচ্ছে”, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আস্থা ফিরিয়েছে। এদিকে, ইরান হয়ে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ Strait of Hormuz-এর পরিস্থিতিও বাজারে বড় প্রভাব ফেলছে। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বে মোট তেল

কমতে শুরু করেছে তেলের দাম

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানিয়ে ১০ দিনের জন্য হামলা স্থগিত করেন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শুক্রবারের শুরুর লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ সেন্ট বা ০.৮% কমে ১০৭.১১ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দাম ৮৩ সেন্ট বা ০.৮৮% কমে দাঁড়ায় ৯৩.৬৫ ডলারে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগে তেলের দাম বেড়েছিল—ব্রেন্ট ৫.৭% এবং WTI ৪.৬% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে সপ্তাহ শেষে বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত দ্রুত শেষ হতে পারে—এমন প্রত্যাশা থেকেই বাজারে চাপ কমেছে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, আলোচনা “খুব ভালোভাবে এগোচ্ছে”, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আস্থা ফিরিয়েছে।

এদিকে, ইরান হয়ে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ Strait of Hormuz-এর পরিস্থিতিও বাজারে বড় প্রভাব ফেলছে। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বে মোট তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।

যুদ্ধের কারণে এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান Fatih Birol এই সংকটকে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়েও গুরুতর বলে মন্তব্য করেছেন।

বর্তমানে সংঘাতের কারণে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল বৈশ্বিক সরবরাহ থেকে কমে গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি দ্রুত সমাধান হয়, তাহলে তেলের বাজার দ্রুত স্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow