কমলা গাছ কাটার ঘটনায় তদন্ত কমিটির সরেজমিন পরিদর্শন
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের নামে ফল ধরার আগমুহূর্তে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফলন্ত কমলা গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় দৈনিক কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের তৎপরতা বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঘটনার তদন্তে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি।
সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে গত বুধবার (২২ জুলাই) অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (যুগ্মসচিব) আশরাফুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সিলেট বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) আব্দুর রহমান এবং অতিরিক্ত জেলা রাজস্ব কর্মকর্তা (এডিসি রেভিনিউ) শাহিনা আক্তার।
নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কমিটির সদস্যরা কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি বন রেঞ্জের আদমপুর বন বিটের কালিঞ্জি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কমলা বাগান পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা ভুক্তভোগী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং স্থানীয়দের বক্তব্য গ্রহণ করেন। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নথিপত্রও সংগ্রহ করেন।
পরিদর্শন শেষে তদন্ত কমিটির প্রধান আশরাফুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মৌলভীবাজারে গাছ কাটার ঘটনায় বিভি
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের নামে ফল ধরার আগমুহূর্তে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফলন্ত কমলা গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় দৈনিক কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের তৎপরতা বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঘটনার তদন্তে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি।
সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে গত বুধবার (২২ জুলাই) অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (যুগ্মসচিব) আশরাফুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সিলেট বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) আব্দুর রহমান এবং অতিরিক্ত জেলা রাজস্ব কর্মকর্তা (এডিসি রেভিনিউ) শাহিনা আক্তার।
নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কমিটির সদস্যরা কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি বন রেঞ্জের আদমপুর বন বিটের কালিঞ্জি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কমলা বাগান পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা ভুক্তভোগী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং স্থানীয়দের বক্তব্য গ্রহণ করেন। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নথিপত্রও সংগ্রহ করেন।
পরিদর্শন শেষে তদন্ত কমিটির প্রধান আশরাফুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মৌলভীবাজারে গাছ কাটার ঘটনায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছি। সবকিছু পর্যালোচনা করে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। এরপর সরকার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।’
এর আগে রাজকান্দি বন রেঞ্জের আদমপুর বন বিটের কালিঞ্জি এলাকায় বন বিভাগের অভিযানে দীর্ঘ আট বছরে গড়ে তোলা সালমা বেগম ও আলিম উল্লাহ দম্পতির কমলা বাগান কেটে ফেলা হয়। বাগানটিতে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফলন্ত কমলা গাছ ছিল, যা ফল ধরার ঠিক আগমুহূর্তে ধ্বংস করা হয়।
ভুক্তভোগী দম্পতির অভিযোগ, এনজিও থেকে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে তারা বাগানটি গড়ে তুলেছিলেন। কমলা বিক্রি করে ঋণ পরিশোধের পরিকল্পনা থাকলেও নিয়মিত মাসোহারা (চাঁদা) না দেওয়ায় প্রতিহিংসাবশত তাদের বাগান কেটে ফেলা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।