কম্বলের সূত্র ধরে সিরাজ হত্যার রোমহর্ষক রহস্য উন্মোচন
মাদারীপুর সদর উপজেলায় নিখোঁজ সিরাজ সরদার হত্যার রোমহর্ষক রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যার আট দিন পর একটি বিদেশি কম্বলের সূত্র ধরে ঘাতক চাচাতো ভাইসহ জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এহতেশামুল হক বলেন, গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামের একটি ভুট্টা খেত থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনার চার দিন পরে সদর থানার এসআই হাচিব শিকদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করে। পরে তদন্ত করে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি আরও বলেন, অজ্ঞাত ব্যক্তিটিই হলো সদর উপজেলার দক্ষিণ বিরাঙ্গল গ্রামের মৃত মোহাম্মদ সরদারের ছেলে সিরাজ সরদার (৫৬)। এরপরে হত্যার রহস্য উদযাটনের জন্যে তদন্তে নামে ডিবি ও থানা পুলিশের একটি টিম। তারা মরদেহের সঙ্গে পাওয়া বিদেশি একটি কম্বলকে সূত্র ধরে কাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, কম্বলটি দুর্গাবর্দী গ্রামের খাদিজা বেগমের। পরে খাদিজাকে আটক করে হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়। খাদিজাও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে
মাদারীপুর সদর উপজেলায় নিখোঁজ সিরাজ সরদার হত্যার রোমহর্ষক রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যার আট দিন পর একটি বিদেশি কম্বলের সূত্র ধরে ঘাতক চাচাতো ভাইসহ জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এহতেশামুল হক বলেন, গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামের একটি ভুট্টা খেত থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনার চার দিন পরে সদর থানার এসআই হাচিব শিকদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করে। পরে তদন্ত করে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
তিনি আরও বলেন, অজ্ঞাত ব্যক্তিটিই হলো সদর উপজেলার দক্ষিণ বিরাঙ্গল গ্রামের মৃত মোহাম্মদ সরদারের ছেলে সিরাজ সরদার (৫৬)। এরপরে হত্যার রহস্য উদযাটনের জন্যে তদন্তে নামে ডিবি ও থানা পুলিশের একটি টিম। তারা মরদেহের সঙ্গে পাওয়া বিদেশি একটি কম্বলকে সূত্র ধরে কাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, কম্বলটি দুর্গাবর্দী গ্রামের খাদিজা বেগমের। পরে খাদিজাকে আটক করে হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়। খাদিজাও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
পুলিশ সুপার বলেন, খাজিদা পুলিশকে জানিয়েছে, কম্বলটি তার স্বামী সৌদি আরব থেকে এনেছে। তার দুলাভাই ও নিহত সিরাজের চাচাতো ভাই দক্ষিণ বিরাঙ্গল গ্রামের মৃত হালান সরদারের ছেলে বিল্লাল হোসেন সরদার গত ২১ ফেব্রুয়ারি সিরাজসহ তিনজনকে সঙ্গে করে তার বাড়িতে আসেন। রাতে তাদের কম্বলটি ঘুমানো জন্যে দেওয়া হয়। পরে তারা তিনজনই ভিন্ন রুমে ঘুমাতে যান। তবে সকালে তাদের কাউকে পাওয়া রুমে পাওয়া যায়নি। এ কথার সূত্র ধরে বিল্লাল সরদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর বিল্লালও হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে।
এহতেশামুল হক বলেন, জমিসংক্রান্ত ও পূর্ব শত্রুতার জেরে বিল্লাল সর্দার ও তার চাচাতো ভাই নিহত সিরাজ সরদার অপহরণ দেখিয়ে গত ২২ জানুয়ারি একটি মামলা করেন। যেখানে তাদের গ্রামের জালাল সরদারকে ঘায়েল করতে মামলাটি করা হয়। আর বলি হিসেবে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সিরাজ সরদারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বিল্লাল ও তার সহযোগীরা।
তিনি বলেন, ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ ক্লুলেস। তদন্ত ও প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অল্প দিনেই আমরা হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা করছে পুলিশ।
What's Your Reaction?