করতোয়া নদীতে ভাসমান মরদেহ ঘিরে চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে করতোয়া নদী থেকে প্রায় ১০ থেকে ১১ বছর বয়সি অজ্ঞাতপরিচয় এক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভর্ণাপাড়া টঙ্গী ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন করতোয়া নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতে করতোয়া নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে কয়েকজন ব্যক্তি বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানান। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নদীর পাড়ে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুই দিন আগে শিশুটির মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। করতোয়া নদীর উজান থেকে স্রোতের সঙ্গে ভেসে আসার পর মরদেহটি নদীর একটি বাঁকে আটকা পড়ে। উদ্ধার হওয়া শিশুটির বয়স আনুমানিক ১০ থেকে ১১ বছর হলেও তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। দিনাজপুরের বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হারেস উদ্দিন বলেন, নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় একটি কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, মরদেহটি দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত ও
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে করতোয়া নদী থেকে প্রায় ১০ থেকে ১১ বছর বয়সি অজ্ঞাতপরিচয় এক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভর্ণাপাড়া টঙ্গী ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন করতোয়া নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতে করতোয়া নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে কয়েকজন ব্যক্তি বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানান। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নদীর পাড়ে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুই দিন আগে শিশুটির মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। করতোয়া নদীর উজান থেকে স্রোতের সঙ্গে ভেসে আসার পর মরদেহটি নদীর একটি বাঁকে আটকা পড়ে। উদ্ধার হওয়া শিশুটির বয়স আনুমানিক ১০ থেকে ১১ বছর হলেও তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
দিনাজপুরের বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হারেস উদ্দিন বলেন, নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় একটি কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, মরদেহটি দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হলে মরদেহটি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।
মো. মাহাবুর রহমান/এসজেডএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?