করোনা ভ্যাকসিন কেনায় খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনা মহামারিতে দেশের মানুষের সুরক্ষায় ভ্যাকসিন ক্রয় বাবদ এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দশম দিনে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক ভ্যাকসিনসহ করোনা সরঞ্জামাদি আমদানি ও কেনাকাটার জন্য ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এই বরাদ্দ থেকে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অন্যান্য খাতের ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য সিরিঞ্জ ক্রয় বাবদ ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার পরিবহন খরচ বাবদ ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং ও চার্জ হিস
করোনা মহামারিতে দেশের মানুষের সুরক্ষায় ভ্যাকসিন ক্রয় বাবদ এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দশম দিনে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক ভ্যাকসিনসহ করোনা সরঞ্জামাদি আমদানি ও কেনাকাটার জন্য ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এই বরাদ্দ থেকে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অন্যান্য খাতের ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য সিরিঞ্জ ক্রয় বাবদ ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার পরিবহন খরচ বাবদ ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং ও চার্জ হিসেবে ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা ব্যয় হয়েছে।
ভ্যাকসিন আমদানিতে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কিনা— সংসদ সদস্যের এমন প্রশ্নের জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিকট এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে সরকার সর্বদা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ সংক্রান্ত কোনো অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে দেশ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সক্ষম হয়েছে।
What's Your Reaction?