কাঁপছে কক্সবাজার
পর্যটন জেলা কক্সবাজারে হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কক্সবাজারে চলতি বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কক্সবাজারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
একইসঙ্গে সকাল থেকে জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার বেগে ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। এতে উপকূলীয় এলাকাজুড়ে শীতল আবহাওয়া বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ প্রচণ্ড ঠান্ডা অনুভব করছেন।
অন্যদিকে কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফ ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানে সোমবার চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, যা দেশের উত্তরাঞ্চলের অনেক জেলার চেয়েও কম ছিল। এদিন টেকনাফে ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বান্দরবানে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ কক্সবাজারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ঠান্ডা বাতাসের কারণে অনুভূত তাপমাত্রা আরও কম মনে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, উত্তর
পর্যটন জেলা কক্সবাজারে হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কক্সবাজারে চলতি বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কক্সবাজারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
একইসঙ্গে সকাল থেকে জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার বেগে ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। এতে উপকূলীয় এলাকাজুড়ে শীতল আবহাওয়া বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ প্রচণ্ড ঠান্ডা অনুভব করছেন।
অন্যদিকে কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফ ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানে সোমবার চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, যা দেশের উত্তরাঞ্চলের অনেক জেলার চেয়েও কম ছিল। এদিন টেকনাফে ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বান্দরবানে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ কক্সবাজারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ঠান্ডা বাতাসের কারণে অনুভূত তাপমাত্রা আরও কম মনে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শীতল ও শুষ্ক বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলে তাপমাত্রা দ্রুত কমে গেছে। আগামী কয়েকদিন ভোর ও রাতের দিকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে হঠাৎ শীত বেড়ে যাওয়ায় কক্সবাজার, টেকনাফ ও পার্বত্য বান্দরবানের নিম্নআয়ের মানুষ, জেলে ও পাহাড়ি অঞ্চলের বাসিন্দারা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। ভোর ও গভীর রাতে শীতের কারণে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।