কাজ নেই, অভাবে দিন কাটছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনার
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা। সম্প্রতি জানা গেছে, তিনি অসুস্থ। তবে আজ ৩০ এপ্রিল তিনি জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেই তিনি মাঝেমধ্যে জ্বর, ঠান্ডা ও কাশিতে ভোগেন। সেটা সাময়িক। কল্পনা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভালো আছি। সেভাবে কোনো সমস্যা নেই। আবহাওয়া পরিবর্তনে জ্বর, ঠান্ডা ও কাশি হয়, আবার ঠিক হয়ে যায়। যেহেতু বয়স হয়েছে, এটা স্বাভাবিক। আমি ভালো আছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’ কাজ নেই, অভাবে দিন কাটছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনার। কাজে ফিরতে চান জানিয়ে কল্পনা বলেন, ‘অনেক দিন ধরে কাজ নেই। কাজ না করতে পারার কারণে অর্থনৈতিক সমস্যা হচ্ছে। বসে বসে কয়দিন চলা যায়। আমি কাজ করতে চাই। যদিও ভারি কাজ করতে পারব না। নরমাল যে সব কাজ করা যায় তা করার জন্য আমি প্রস্তুত আছি। কাজ করলে হয়তো আরও ভালো থাকব।’ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রমের মাধ্যমে ১৯৮৪ সালে চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু করেন খালেদা আক্তার কল্পনা। অভিনয়ে আসার আগের গল্পটাও যেন সিনেমার মতোই। শিক্ষকতা ছিল তার পেশা। এ
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা। সম্প্রতি জানা গেছে, তিনি অসুস্থ। তবে আজ ৩০ এপ্রিল তিনি জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেই তিনি মাঝেমধ্যে জ্বর, ঠান্ডা ও কাশিতে ভোগেন। সেটা সাময়িক।
কল্পনা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভালো আছি। সেভাবে কোনো সমস্যা নেই। আবহাওয়া পরিবর্তনে জ্বর, ঠান্ডা ও কাশি হয়, আবার ঠিক হয়ে যায়। যেহেতু বয়স হয়েছে, এটা স্বাভাবিক। আমি ভালো আছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’
কাজ নেই, অভাবে দিন কাটছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনার। কাজে ফিরতে চান জানিয়ে কল্পনা বলেন, ‘অনেক দিন ধরে কাজ নেই। কাজ না করতে পারার কারণে অর্থনৈতিক সমস্যা হচ্ছে। বসে বসে কয়দিন চলা যায়। আমি কাজ করতে চাই। যদিও ভারি কাজ করতে পারব না। নরমাল যে সব কাজ করা যায় তা করার জন্য আমি প্রস্তুত আছি। কাজ করলে হয়তো আরও ভালো থাকব।’
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রমের মাধ্যমে ১৯৮৪ সালে চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু করেন খালেদা আক্তার কল্পনা। অভিনয়ে আসার আগের গল্পটাও যেন সিনেমার মতোই। শিক্ষকতা ছিল তার পেশা। একদিন লন্ড্রি থেকে আনা কাপড়ের ভাঁজে হঠাৎ চোখে পড়ে একটি বিজ্ঞাপন ‘নতুন মুখের সন্ধানে’। কৌতূহল থেকে আবেদন করেছিলেন, তারপর ভুলেও গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ছোট্ট কাগজটিই বদলে দেয় তার পুরো জীবন। এনে দেয় আলো-ঝলমলে এক যাত্রা।
পরিচালক মিজানুর রহমানের ‘হনুমানের পাতাল বিজয়’ দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক হলেও তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ছিল মতিন রহমান পরিচালিত ‘রাধাকৃষ্ণ’। এরপর তাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়।
এমআই/এলআইএ
What's Your Reaction?