কাপ্তাইয়ে ১৬ কেজির মহাবিপন্ন বাঘা আইড় জব্দ

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে বন বিভাগের বিশেষ অভিযানে বিপন্ন প্রজাতির একটি ‘বাঘা আইড়’ মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার জেটিঘাট এলাকা থেকে ১৬ কেজি ওজনের মাছটি জব্দ করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেটিকে ধ্বংস করে মাটিচাপা দিয়েছে বন বিভাগ। বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারিভাবে ৩ মাসের মাছ ধরা নিষিদ্ধ রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এক জেলে কর্ণফুলী নদী থেকে ১৬ কেজি ওজনের একটি বাঘা আইড় শিকার করেন। মাছটি গোপনে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাজারে নিয়ে আসা হলে মো. লিয়াকত নামের স্থানীয় এক ব্যবসায়ী প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা দরে মোট ১৬ হাজার টাকায় সেটি কিনে নেন। গোপন সংবাদ পেয়ে কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমানের নেতৃত্বে জেটিঘাট এলাকায় অভিযান চালায় বন বিভাগ। এসময় ব্যবসায়ী লিয়াকতের কাছ থেকে মাছটি উদ্ধার করা হয়। মাছটি লম্বায় প্রায় ৪ ফুট এবং ওজনে ১৬ কেজি ছিল। বন বিভাগ জানায়, বাঘা আইড় বর্তমানে বাংলাদেশে ‘লাল তালিকাভুক্ত’ একটি মহাবিপন্ন প্রজাতি। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী এই মাছ শিকার, পরিবহন ও কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষি

কাপ্তাইয়ে ১৬ কেজির মহাবিপন্ন বাঘা আইড় জব্দ

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে বন বিভাগের বিশেষ অভিযানে বিপন্ন প্রজাতির একটি ‘বাঘা আইড়’ মাছ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার জেটিঘাট এলাকা থেকে ১৬ কেজি ওজনের মাছটি জব্দ করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেটিকে ধ্বংস করে মাটিচাপা দিয়েছে বন বিভাগ।

বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারিভাবে ৩ মাসের মাছ ধরা নিষিদ্ধ রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এক জেলে কর্ণফুলী নদী থেকে ১৬ কেজি ওজনের একটি বাঘা আইড় শিকার করেন। মাছটি গোপনে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাজারে নিয়ে আসা হলে মো. লিয়াকত নামের স্থানীয় এক ব্যবসায়ী প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা দরে মোট ১৬ হাজার টাকায় সেটি কিনে নেন।

গোপন সংবাদ পেয়ে কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমানের নেতৃত্বে জেটিঘাট এলাকায় অভিযান চালায় বন বিভাগ। এসময় ব্যবসায়ী লিয়াকতের কাছ থেকে মাছটি উদ্ধার করা হয়। মাছটি লম্বায় প্রায় ৪ ফুট এবং ওজনে ১৬ কেজি ছিল।

কাপ্তাইয়ে ১৬ কেজির মহাবিপন্ন বাঘা আইড় জব্দ

বন বিভাগ জানায়, বাঘা আইড় বর্তমানে বাংলাদেশে ‘লাল তালিকাভুক্ত’ একটি মহাবিপন্ন প্রজাতি। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী এই মাছ শিকার, পরিবহন ও কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এস এম সাজ্জাদ হোসেনের নির্দেশনায়, উদ্ধারকৃত মাছটি রাত সাড়ে ৯টার দিকে কেটে কেরোসিন তেল মিশিয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়, যাতে কেউ এটি ব্যবহার করতে না পারে।

কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান জানান, হ্রদে মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও বিপন্ন বন্যপ্রাণী রক্ষায় তাদের এ ধরনের অভিযান ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

আরমান খান/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow