কারখানা মালিকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, একজন কারাগারে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আটক ইমান উল্লাহ মাস্তানকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না এ আদেশ দেন। এ মামলায় আটক ইমানের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তাৎক্ষণিক শুনানি না করে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমতলী আমবাগিচা এলাকার একটি গলিতে অবস্থিত মেসার্স এসার গ্যাস প্রো ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ছয়জনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে। বাকিদের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। মালিক মো. আকরাম উল্লাহ আকরাম ও তার ছেলে আহনাফ আকিফ আকরামসহ সংশ্লিষ্টরা প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর ধরে বিপজ্জনক দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে ৫০ থেকে ৬০ জন শ্রমিক দিয়ে কারখানাটি পরিচালনা করছিলেন। আরও পড়ুনকেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনছয় মরদেহের মধ্যে শনাক্ত ৩, বাকিদের ডি
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আটক ইমান উল্লাহ মাস্তানকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না এ আদেশ দেন। এ মামলায় আটক ইমানের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তাৎক্ষণিক শুনানি না করে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমতলী আমবাগিচা এলাকার একটি গলিতে অবস্থিত মেসার্স এসার গ্যাস প্রো ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
এ ঘটনায় ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ছয়জনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে। বাকিদের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। মালিক মো. আকরাম উল্লাহ আকরাম ও তার ছেলে আহনাফ আকিফ আকরামসহ সংশ্লিষ্টরা প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর ধরে বিপজ্জনক দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে ৫০ থেকে ৬০ জন শ্রমিক দিয়ে কারখানাটি পরিচালনা করছিলেন।
আরও পড়ুন
কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন
ছয় মরদেহের মধ্যে শনাক্ত ৩, বাকিদের ডিএনএ পরীক্ষা হবে
এজাহারে আরও বলা হয়, একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানাটি বন্ধ ও সিলগালা করলেও আসামিরা পুনরায় গোপনে কার্যক্রম চালু রাখেন। স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে ও পেশিশক্তির মাধ্যমে তারা কার্যক্রম চালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনায় ইমান উল্লাহ মাস্তানসহ অজ্ঞাতনামা ৫ থেকে ৭ জনের বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ বলছে, কারখানাটিতে কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না এবং শিশু শ্রমিকসহ বিভিন্ন বয়সী শ্রমিকদের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করানো হচ্ছিল।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩০২, ৪৩৬ ও ৩৪ ধারাসহ শ্রম আইন ২০০৬-এর ২৮৪, ২৮৫ ও ২৯০ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকুল ইসলাম।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এমডিএএ/বিএ
What's Your Reaction?