কারাগারে বসে ছাত্রলীগ নেতার ভিডিও কলের দাবি বিভ্রান্তিকর

‘কারাগারে বসে ভিডিও কলে শেখ হাসিনার ফেরার বার্তা দিচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওটি বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল-ফরহাদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, গত ২৭ জুলাই ফেসবুকে Daily Jugantor নামের একটি পেজে প্রকাশিত ভিডিওটি নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে নিশ্চিত হয়েছে যে, ভিডিওটির কোনো অংশই লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের ভেতরে ধারণ করা হয়নি। আরও পড়ুন রাকসু ভবনে হামলা / ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে রাবির দুই শিক্ষার্থী গ্রেফতার কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ জুলাই সন্ত্রাস দমন আইনের একটি মামলায় হাজতি মির্জা আশরাফুজ্জামান ও হাজতি মো. নাঈম হোসেনকে লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগার থেকে আদালতে হাজিরার জন্য নেওয়া হয়। আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থানকালে তারা ভিডিও কলে একজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন এবং সেখানে উপস্থিত অন্য একজন সেই দৃশ্য ধারণ করে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট বন্দিরাও বিষয়টি স্বীকার

কারাগারে বসে ছাত্রলীগ নেতার ভিডিও কলের দাবি বিভ্রান্তিকর

‘কারাগারে বসে ভিডিও কলে শেখ হাসিনার ফেরার বার্তা দিচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওটি বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল-ফরহাদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত ২৭ জুলাই ফেসবুকে Daily Jugantor নামের একটি পেজে প্রকাশিত ভিডিওটি নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে নিশ্চিত হয়েছে যে, ভিডিওটির কোনো অংশই লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের ভেতরে ধারণ করা হয়নি।

কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ জুলাই সন্ত্রাস দমন আইনের একটি মামলায় হাজতি মির্জা আশরাফুজ্জামান ও হাজতি মো. নাঈম হোসেনকে লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগার থেকে আদালতে হাজিরার জন্য নেওয়া হয়। আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থানকালে তারা ভিডিও কলে একজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন এবং সেখানে উপস্থিত অন্য একজন সেই দৃশ্য ধারণ করে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেন।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট বন্দিরাও বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারা অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও জানান, কারাগারের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের ভিডিও বা সংবাদ প্রচার করা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং প্রচলিত আইনেরও পরিপন্থি।

ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বন্দিদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কারাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কারা অধিদপ্তর সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালনের জন্য গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর।

টিটি/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow